পৃথিবী যত গরম হচ্ছে, ততই বাড়ছে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি। গলতে পারে বিশাল বরফস্তর, ধ্বংস হতে পারে সমুদ্রের প্রবালপ্রাচীর, এমনকি বদলে যেতে পারে সমুদ্রের স্রোতও। সবচেয়ে বড় ভয়— একটি পরিবর্তনের প্রভাব ছড়িয়ে পড়তে পারে অন্য প্রাকৃতিক ব্যবস্থায়। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে পৃথিবীর ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক ব্যবস্থা এমন এক বিপজ্জনক সীমায় পৌঁছাতে পারে, যেখান থেকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে।
বিজ্ঞানীরা এমন সংকটপূর্ণ সীমাকে বলেন, ‘টিপিং পয়েন্ট’। তারা জানান, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে পৌঁছালে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, সব ব্যবস্থা একই সময়ে বা নিশ্চিতভাবে ধসে পড়বে।
সীমা পেরোলেই বদলাবে পরিস্থিতি
টিপিং পয়েন্ট বোঝার জন্য একটি বলের উদাহরণ দেওয়া যায়। বলটি পাহাড়ের ঢালে থাকলে সামান্য ধাক্কায় কিছুটা নড়লেও আবার আগের জায়গায় ফিরতে পারে। কিন্তু সেটি যদি চূড়ার সীমা পেরিয়ে অন্য ঢালে গড়িয়ে পড়ে, তখন আর আগের অবস্থায় ফেরানো সহজ হয় না। পৃথিবীর কিছু প্রাকৃতিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
গ্রিনল্যান্ডের বরফস্তর, এন্টার্কটিকার পশ্চিমাঞ্চলের বরফ, উত্তর গোলার্ধের চিরহিমায়িত মাটি, উষ্ণ সমুদ্রের প্রবালপ্রাচীর, উত্তর আটলান্টিকের সমুদ্রপ্রবাহ এবং বারেন্টস সাগরের বরফ— এ ছয়টি ব্যবস্থার ঝুঁকি তুলে ধরা হয়েছে। এ পরিবর্তন শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, বৈশ্বিক তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
গলছে গ্রিনল্যান্ডের বিশাল বরফস্তর
উত্তর আটলান্টিকের গ্রিনল্যান্ডে রয়েছে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ স্থলভিত্তিক বরফস্তর। এই বরফের বিস্তৃতি ও পুরুত্ব এত বেশি যে, এর সম্পূর্ণ গলন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কয়েক মিটার বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে এমন পরিবর্তন ঘটতে শতাব্দী থেকে হাজার বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
বরফ গলে গেলে শুধু সমুদ্রের পানিই বাড়ে না। বরফের সাদা পৃষ্ঠ সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে মহাকাশে ফিরিয়ে দেয়। বরফের জায়গায় গাঢ় রঙের ভূমি বা পানি উন্মুক্ত হলে তা তুলনামূলক বেশি তাপ শোষণ করে। তাতে আশপাশের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে এবং বরফ গলার প্রক্রিয়াও ত্বরান্বিত হতে পারে।
গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণতা এমন পর্যায়ে পৌঁছালে গ্রিনল্যান্ডের বরফ হারানোর প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ পরে তাপমাত্রা স্থিতিশীল হলেও বরফস্তরের ক্ষয় সহজে থামানো নাও যেতে পারে। এর অর্থ অবশ্য এই নয় যে কোনো নির্দিষ্ট বছরে পুরো বরফস্তর গলে যাবে। বরং দীর্ঘ সময় ধরে চলা একটি পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে।
এন্টার্কটিকার বরফ ভাঙবে ভারসাম্য
পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে এন্টার্কটিকার বিশাল বরফস্তর রয়েছে। এর পশ্চিমাঞ্চলের কিছু বরফ সমুদ্রের পানির সংস্পর্শে থাকে। তুলনামূলক উষ্ণ পানি বরফের নিচে প্রবেশ করলে বরফের ভিত্তি ক্ষয়ে যেতে পারে। এতে হিমবাহের চলাচল বাড়ে এবং আরও বেশি বরফ সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। বরফস্তরটির স্থিতিশীলতা নষ্ট হলে দীর্ঘমেয়াদে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপকূলীয় শহর, দ্বীপদেশ ও নিচু বদ্বীপ অঞ্চল এতে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ বদ্বীপে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি বড় উদ্বেগের বিষয়; যদিও ভবিষ্যতের ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ভর করবে বরফ গলার গতি, বৈশ্বিক উষ্ণতা এবং উপকূলের অভিযোজনব্যবস্থার ওপর।
গ্রিনল্যান্ড ও এন্টার্কটিকার বরফস্তর একইভাবে সাড়া দেয় না। দুটির অবস্থান, গঠন ও বরফ গলার প্রক্রিয়া আলাদা। তবে উভয়ের ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণতা এমন সীমায় পৌঁছালে বরফ হারানোর প্রক্রিয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দীর্ঘস্থায়ী বিপদ তৈরি করতে পারে।
জমাট মাটি থেকে বেরোবে বিপুল কার্বন
উত্তর গোলার্ধের সাইবেরিয়া, আলাস্কা ও কানাডার বিস্তীর্ণ এলাকায় এমন মাটি রয়েছে, যা বছরের দীর্ঘ সময় জমাট থাকে। একে বলা হয় পারমাফ্রস্ট। হাজার হাজার বছর ধরে এর ভেতরে মৃত উদ্ভিদ ও অন্যান্য জৈব পদার্থ জমা রয়েছে। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে সেগুলো পুরোপুরি পচে যেতে পারেনি।
তাপমাত্রা বাড়ায় এই জমাট মাটির কিছু অংশ গলতে শুরু করেছে। মাটির ভেতরে থাকা জৈব পদার্থ জীবাণুর মাধ্যমে পচে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেনের মতো গ্রিনহাউস গ্যাস তৈরি করতে পারে। গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়লে পৃথিবীর উষ্ণতা আরও বাড়বে। তখন আরও বেশি মাটি গলার আশঙ্কা তৈরি হবে।
মানুষের নিঃসরণ করা গ্রিনহাউস গ্যাসের বাইরে প্রাকৃতিক ব্যবস্থার ভেতরে জমে থাকা কার্বনও উষ্ণতা বৃদ্ধির অংশ হয়ে উঠতে পারে। কিছু এলাকায় হঠাৎ মাটি দেবে যাওয়া, ভূমির গঠন বদলে যাওয়া ও অবকাঠামোর ক্ষতির ঘটনাও ঘটতে পারে। তবে পুরো পারমাফ্রস্ট অঞ্চল একসঙ্গে গলে যাওয়ার আশঙ্কা নয়; বিভিন্ন এলাকায় গলার গতি ও প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।
উষ্ণ সমুদ্রে হারাবে প্রবালপ্রাচীর
সমুদ্রের নিচে রঙিন প্রবালপ্রাচীর শুধু সৌন্দর্যের উৎস নয়; বিপুলসংখ্যক মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর আশ্রয়, খাদ্য ও প্রজননের ক্ষেত্রও এটি। পৃথিবীর অনেক উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর খাদ্যনিরাপত্তা ও জীবিকার সঙ্গে প্রবালপ্রাচীর সরাসরি যুক্ত।
সমুদ্রের পানি অতিরিক্ত উষ্ণ হলে প্রবাল তার শরীরে বসবাসকারী ও খাদ্য তৈরিতে সাহায্যকারী শৈবালকে হারাতে পারে। এ অবস্থা হলো প্রবালের বিবর্ণতা বা ব্লিচিং। দীর্ঘ সময় তাপমাত্রার চাপ অব্যাহত থাকলে প্রবাল মারা যেতে পারে। তখন শুধু প্রবাল নয়, তার ওপর নির্ভরশীল পুরো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রও ক্ষতির মুখে পড়ে।
এ বিপদ আর কেবল ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়। ২০২৫ সালের গ্লোবাল টিপিং পয়েন্টস মূল্যায়নে বলা হয়েছে, উষ্ণ পানির প্রবালপ্রাচীরের সম্ভাব্য সংকটসীমা ইতিমধ্যে অতিক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে রেকর্ড মাত্রার প্রবাল বিবর্ণতার ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে। তবে এর অর্থ সব প্রবালপ্রাচীর ইতিমধ্যে মারা গেছে, এমন নয়; বিভিন্ন স্থানে ক্ষতির মাত্রা আলাদা এবং স্থানীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা এখনও গুরুত্বপূর্ণ।
বদলাবে আটলান্টিকের সমুদ্রপ্রবাহ
সমুদ্র শুধু পানি ধারণ করে না; পৃথিবীর এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে তাপ পরিবহনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উত্তর আটলান্টিকের কিছু এলাকায় ঠান্ডা ও লবণাক্ত পানি ঘন হয়ে গভীরে নেমে যায়। এ প্রক্রিয়া বৃহত্তর আটলান্টিক মহাসাগরীয় পানি চলাচলের একটি অংশ। সাগরের তাপমাত্রা, লবণাক্ততা ও পানির ঘনত্বের পরিবর্তনে এই সঞ্চালন দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
গ্রিনল্যান্ডের বরফ গলে প্রচুর মিঠাপানি সমুদ্রে মিশলে পানির লবণাক্ততা ও ঘনত্বের ভারসাম্য বদলাতে পারে। এতে উত্তর আটলান্টিকের কিছু এলাকায় গভীর পানির সঞ্চালন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর প্রভাব পড়তে পারে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র, তাপ পরিবহন এবং বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার ওপর।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। উত্তর আটলান্টিকের নির্দিষ্ট অঞ্চলে পানির গভীরে নেমে যাওয়ার প্রক্রিয়া দুর্বল হওয়া আর পুরো আটলান্টিক মহাসাগরীয় সঞ্চালনব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া এক বিষয় নয়। কোন প্রক্রিয়া কতটা বদলাতে পারে, তা নিয়ে গবেষণা চলছে; ঝুঁকি থাকলেও পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট সময় ও মাত্রা নিশ্চিত নয়।
বারেন্টস সাগরে কমবে বরফ
আর্কটিক অঞ্চলের বারেন্টস সাগর নরওয়ে ও রাশিয়ার উত্তরে অবস্থিত। শীতল এই সমুদ্রের বরফ সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে। কিন্তু তাপমাত্রা বেড়ে বরফ কমে গেলে উন্মুক্ত সমুদ্রের পানি বেশি তাপ শোষণ করে। এর ফলে ওই অঞ্চলে উষ্ণতা আরও বাড়তে পারে এবং বরফ গলার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হতে পারে।
২০২২ সালের গবেষণায় বারেন্টস সাগরের সামুদ্রিক বরফ দ্রুত হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাকে একটি টিপিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। এই পরিবর্তন সামুদ্রিক প্রাণীর আবাসস্থল, খাদ্যশৃঙ্খল ও আঞ্চলিক জলবায়ুকে প্রভাবিত করতে পারে।
তবে এ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন পরিবর্তিত হচ্ছে। ২০২৫ সালের গ্লোবাল টিপিং পয়েন্টস প্রতিবেদনে আর্কটিকের গ্রীষ্মকালীন সমুদ্রবরফের ক্ষেত্রে টিপিং পয়েন্টে পৌঁছানোর আশঙ্কাকে কম বলে মূল্যায়ন করা হয়েছে। তাই ২০২২ সালে আলোচিত ছয়টি ঝুঁকিকে অপরিবর্তনীয় বা সমানভাবে নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। নতুন গবেষণা, পর্যবেক্ষণ ও জলবায়ু মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এসব অনুমান আরও পরিমার্জন করছেন।
একটির পরিবর্তনে বাড়বে অন্যটির ঝুঁকি
এই ছয়টি ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়— তারা পরস্পর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন নয়। বরফ গলে সমুদ্রে মিঠাপানি বাড়লে স্রোতের ধরন বদলাতে পারে। বরফ কমলে সূর্যের তাপ শোষণ বাড়তে পারে। জমাট মাটি গলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হলে উষ্ণতা আরও বাড়তে পারে। এভাবে একটি পরিবর্তন অন্য ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
২০২৩ সালের গ্লোবাল টিপিং পয়েন্টস প্রতিবেদনে পৃথিবীর জলবায়ু ও বাস্তুতন্ত্রে ২৫টিরও বেশি সম্ভাব্য টিপিং পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছিল। পরবর্তী মূল্যায়নেও বরফস্তর, প্রবালপ্রাচীর, বন ও সমুদ্রসঞ্চালনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। এতে বোঝা যায়, ২০২২ সালের ছয়টি ব্যবস্থার তালিকা বড় একটি সমস্যার অংশ; এটি সম্ভাব্য সব ঝুঁকির পূর্ণ তালিকা নয়।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্রতিবেদনে জানা যায়, ওই বছর বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় ১.৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। একই বছর সমুদ্রের তাপের পরিমাণ পর্যবেক্ষণের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এক বছরের তাপমাত্রা দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রমের সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না, কিন্তু এ তথ্য পৃথিবীর জলবায়ুব্যবস্থার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ স্পষ্ট করে।
পরিশেষে, পৃথিবীর সব প্রাকৃতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন থামানো মানুষের পক্ষে সম্ভব হবে কি না, তার উত্তর এখনই নিশ্চিত নয়। তবে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো, বন ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণ জোরদার করার মাধ্যমে ঝুঁকি কমানোর সুযোগ রয়েছে। তাপমাত্রা যত বাড়বে, কিছু বিপজ্জনক পরিবর্তনের আশঙ্কাও তত বাড়তে পারে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রশ্নটি শুধু আগামী দশকের আবহাওয়া কেমন হবে, তা নয়; পৃথিবীর জীবনধারণের জন্য জরুরি প্রাকৃতিক ভারসাম্য কতটা অক্ষুণ্ন রাখা যাবে, সেটিও এর সঙ্গে জড়িত।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এসএকে