জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্যাটারদের দাপটের বিপরীতে দেখা গেছে বোলারদের কার্যকর পারফরম্যান্সও। চট্টগ্রামের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে বরিশাল।
অন্যদিকে প্রথম ইনিংসে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও ব্যাট হাতে ঘুরে দাঁড়িয়ে খুলনার বিপক্ষে ড্র করেছে রাজশাহী। চার ম্যাচের মধ্যে বাকি তিনটিই নিষ্পত্তি হয়েছে অমীমাংসিতভাবে।
কক্সবাজার একাডেমি গ্রাউন্ডে চট্টগ্রামের জয়ের নায়ক ব্যাটাররা। প্রথম ইনিংসে ২৮২ রানে অলআউট হওয়া বরিশালকে জবাব দিতে নেমে ৫৭৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে চট্টগ্রাম। সাদিকুর রহমান ১৪৯, শাহাদাত হোসেন দিপু ১০৯ এবং ইরফান শুক্কুর ১১২ রানের ইনিংস খেলেন। এ ছাড়া পারভেজ হোসেন ইমন ৭৪ ও মাহমুদুল হাসান জয় করেন ৫৭ রান।
বল হাতে বরিশালের হয়ে অভি ইসলাম নোবেল চারটি উইকেট নিলেও চট্টগ্রামের রান থামাতে পারেননি। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২৯৩ রানেই গুটিয়ে যায় বরিশাল। অধিনায়ক ইফতেখার হোসেন ইফতির ৭৪ ও রাফসান আল মাহমুদের ৭২ রানও দলকে ইনিংস পরাজয় থেকে বাঁচাতে পারেনি। চট্টগ্রামের মো. আশরাফুল হাসান দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে নিশ্চিত করেন ইনিংস ও ১ রানের জয়।
অন্যদিকে রাজশাহীর লড়াই ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১৯ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। জবাবে শেখ মাহাদী হাসানের ১০৪ রানের সেঞ্চুরিতে ৪৮৪ রান তোলে খুলনা। কালাম সিদ্দিকী করেন ৯১ রান। ৩৬৫ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে রাজশাহী। হাবিবুর রহমান সোহান ৯০, সাব্বির হোসেন ৮৮ ও নাঈম আহমেদ ৬৯ রান করেন।
এরপর সাব্বির রহমান রুম্মানের ১১৩ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ৫০০ রান তুলে দিন শেষ করে দলটি। ফলে বড় লিড নিয়েও জয় পায়নি খুলনা; ম্যাচটি শেষ হয় ড্রয়ে।
এদিকে প্রথম ইনিংসে চাপে পড়েও লড়াই করে রংপুরের বিপক্ষে ড্র করেছে ময়মনসিংহ। আর ঢাকা-সিলেট ম্যাচ ড্র হয়েছে দুদলের ব্যাটারদের রানের পাহাড়ে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এসএকে