ঝুঁকিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের ইন্টারনেট ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরু হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের ইন্টারনেট ক্যাবল, ডেটা সেন্টার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামোয় হামলা হতে পারে

2026-10-14T05:44:54+00:00
2026-10-14T05:44:54+00:00
 
  বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬,
২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ইরানের হুমকি
ঝুঁকিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের ইন্টারনেট ব্যবস্থা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৪ এএম 
সাগরের তলদেশে ইন্টারনেট ক্যাবল। ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরু হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের ইন্টারনেট ক্যাবল, ডেটা সেন্টার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামোয় হামলা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি। তার এ বক্তব্যের পর ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে ইন্টারনেট সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

গত মাসে লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় ইরান-সমর্থিত হুতিদের অগ্রযাত্রার পর এ উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার ও হুতিদের মধ্যে বাব আল-মানদেব প্রণালির আশপাশসহ বিভিন্ন এলাকায় লড়াই চলছে। বিশ্বের মোট ইন্টারনেট ট্রাফিকের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করে। 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের সময় বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ডেটা সেন্টার এবং মার্কিন ব্যবসায়িক স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা হয়েছিল। তেহরান দাবি করেছিল, ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে এসব আক্রমণ চালানো হয়েছে।

গত জুনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর সরাসরি সংঘাত অনেকটাই কমেছে। তবে বৈশ্বিক তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে হামলা অব্যাহত রয়েছে।

কেন ঝুঁকিতে ইন্টারনেট কেবল ও ডেটা সেন্টার

ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে ডেটা পরিবহনের ৯০ শতাংশের বেশি সক্ষমতা লোহিত সাগরের তলদেশের ক্যাবলগুলোর ওপর নির্ভরশীল বলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান টেলিজিওগ্রাফির হিসাব। প্রায় ২৬ কিলোমিটার প্রস্থের বাব আল-মানদেব প্রণালি দিয়ে এসব ক্যাবল লোহিত সাগরে প্রবেশ করেছে। ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে নৌযান চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ এটি।

জাহাজের নোঙর বা নাশকতার কারণে সমুদ্রতলের ক্যাবল বিচ্ছিন্ন হতে পারে। যুদ্ধের এলাকায় এসব ক্যাবল মেরামত করতে অনুমতি ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রয়োজন হয়।

অন্যদিকে, ব্যাংকিং অ্যাপ, ক্লাউড সেবা ও বিভিন্ন ডিজিটাল কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সেন্টারগুলো বড় ও স্থায়ী অবকাঠামো। কিংস কলেজ লন্ডনের নিরাপত্তা অধ্যয়ন বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ আল জাজিরাকে বলেন, সার্ভার সরাসরি ধ্বংস না করেও একটি স্থাপনার কার্যক্রম অচল করে দেওয়া সম্ভব। ডেটা সেন্টার নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, শীতলীকরণ ব্যবস্থা ও টেলিযোগাযোগের ওপর নির্ভরশীল। সমুদ্রতলের কেবল সার্বক্ষণিক সুরক্ষিত রাখাও কঠিন; এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে একই সঙ্গে একাধিক দেশ প্রভাবিত হতে পারে।

আগেও হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান

ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান একাধিকবার প্রযুক্তি অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দিয়েছে। গত ১১ মার্চ আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানায়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ‘ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু’ নামে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে গুগল, মাইক্রোসফট ও ওরাকলের ক্লাউড অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করা হয়।

একই মাসে আইআরজিসি টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে গুগল, মেটা ও অ্যাপলসহ যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে। তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের এআই প্রতিষ্ঠান জি৪২-ও ছিল।

ক্রিগের মতে, রেজায়ির হুমকিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত। তবে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটানোর সক্ষমতা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের ডিজিটাল অবকাঠামো পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার সক্ষমতা এক বিষয় নয়। তার ভাষ্য, এ হুমকির লক্ষ্য শুধু নতুন কিছু স্থাপনাকে নিশানা করা নয়; উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত শক্তির সম্পর্কও এতে সামনে এসেছে। তাঁর মতে, ওয়াশিংটনের পাশাপাশি আবুধাবি, রিয়াদ ও দোহাকেও এ বার্তার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখা যায়।

গত মার্চে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (এডব্লিউএস) জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাদের দুটি স্থাপনা সরাসরি ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। বাহরাইনে আরেকটি স্থাপনার কাছাকাছি হামলায় তাদের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই সময়ে আঞ্চলিক তথ্যপ্রযুক্তিগত বিঘ্নের কারণে আবুধাবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের অ্যাপও বন্ধ ছিল বলে জানায় ব্যাংকটি, যদিও এর সঙ্গে এডব্লিউএসের ঘটনার সরাসরি সম্পর্ক নিশ্চিত করেনি তারা।

সেপ্টেম্বরে এডব্লিউএস জানায়, বাহরাইনের কয়েকটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি স্থাপনায় সেবা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

সমুদ্রতলের কেবলও আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনটি ক্যাবল বিচ্ছিন্ন হয়। শিল্পসংশ্লিষ্টদের ধারণা, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অচল হয়ে পড়া রুবিমার নামের একটি পণ্যবাহী জাহাজের টেনে যাওয়া নোঙরের কারণে এ ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে। ক্যাবল মেরামতে কয়েক মাস সময় লাগে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জেদ্দার কাছে আরও দুটি ক্যাবল বিচ্ছিন্ন হয়। এতে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেটের গতি কমে যায়। তবে ওই ঘটনার কারণ নিশ্চিত করা যায়নি।

ক্রিগ বলেন, মার্চের হামলাগুলো দেখিয়েছে, বাণিজ্যিক অবকাঠামো জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষার সুবিধা পেলেই যে তা নিরাপদ থাকবে, এমন নয়। তুলনামূলক কম খরচের ড্রোন দিয়েও বিপুল মূল্যের সরঞ্জাম থাকা স্থাপনায় আঘাত হানা সম্ভব। অল্প কয়েকটি হামলাও বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি ঘটাতে পারে।

হুতিরা কি সমুদ্রতলের ক্যাবলে হামলা করেছে? 

এখন পর্যন্ত হুতিদের সরাসরি সমুদ্রতলের ক্যাবলে হামলার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ২০২৪ সালের ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী থাকার অভিযোগও গোষ্ঠীটি অস্বীকার করেছে।

তবে গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে হুতিরা মোখা বন্দর ও বাব আল-মানদেব প্রণালির আশপাশের এলাকা দখল করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর তারা প্রণালিটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করা মায়ুন দ্বীপেও পৌঁছায়। ৫ অক্টোবর ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার জানায়, তারা মোখা ও প্রণালির কাছের অবস্থানগুলো পুনর্দখল করেছে। হুতিরা এ দাবি অস্বীকার করে।

লোহিত সাগরের বিকল্প পথে ডেটা পরিবহনের উদ্যোগ

লোহিত সাগরের ওপর নির্ভরতা কমাতে বিকল্প পথ তৈরির উদ্যোগ চলছে। তবে এসব পথে ব্যয় বেশি এবং অনেক প্রকল্প এখনো নির্মাণাধীন।

গত ১০ সেপ্টেম্বর ইরাকের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে ইরাক হয়ে ইউরোপে ডেটা পরিবহনের জন্য কাতারের ওরেদুর সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। ইরাকের যোগাযোগমন্ত্রী মুস্তাফা জাবার সানাদ জানান, ভূগর্ভস্থ কেবলটি আল-ফাও থেকে তুরস্ক সীমান্তের কাছে রাবিয়া পর্যন্ত যাবে।

৭ অক্টোবর ওরেদুর আন্তর্জাতিক শাখা তুরস্কের দিকে সংযোগ বাড়াতে ইরাকের আইকিউ নেটওয়ার্কসের কাছ থেকে ফাইবার সক্ষমতা কেনার চুক্তি করে। তবে এর জন্য সরকারি অনুমোদন প্রয়োজন।

মাইক্রোসফট গত সেপ্টেম্বরে জানায়, ২০৩০ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সমুদ্রতলের ও স্থলভিত্তিক সংযোগব্যবস্থায় ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করবে। প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম রেস্ট অব ওয়ার্ল্ড ৭ অক্টোবর এক অজ্ঞাত সূত্রের বরাতে জানায়, গুগল ও মেটা ইরাকের মধ্য দিয়ে কিছু ইন্টারনেট ট্রাফিক পাঠানো শুরু করেছে। এ বিষয়ে আল জাজিরার মন্তব্যের অনুরোধে প্রতিষ্ঠান দুটি সাড়া দেয়নি।

ক্রিগের মতে, ডিজিটাল অবকাঠামোকে আরও স্থিতিস্থাপক করতে ভৌগোলিকভাবে বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। এর মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরে ডেটা সেন্টার স্থাপনও থাকতে পারে। তবে এতে সংবেদনশীল তথ্য ও কম্পিউটিং ব্যবস্থা নিজ দেশের সীমানায় রাখার নীতি এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে।

এআই খাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর উচ্চাকাঙ্ক্ষায় প্রভাব

যুদ্ধের প্রভাব পড়লেও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। তেলনির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতি বহুমুখী করার পরিকল্পনায় উপসাগরীয় দেশগুলো প্রযুক্তি খাতকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

আবুধাবিতে আমিরাতের প্রতিষ্ঠান জি৪২, ওপেনএআই ও এনভিডিয়াসহ বিভিন্ন অংশীদার মিলে ‘স্টারগেট ইউএই’ প্রকল্প গড়ে তুলছে। এটি পরিকল্পিত পাঁচ গিগাওয়াট সক্ষমতার ইউএই-ইউএস এআই ক্যাম্পাসের অংশ।

সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ২০২৫ সালের মে মাসে ‘হিউমেইন’ নামে একটি এআই প্রতিষ্ঠান চালু করে। প্রতিষ্ঠানটি ডেটা সেন্টার ও আরবি ভাষার এআই মডেল তৈরির পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে, কাতারের সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্লু আউলের সঙ্গে তিন বিলিয়ন ডলারের ডেটা সেন্টার বিনিয়োগ উদ্যোগে যুক্ত হয়।

মাইক্রোসফটও গত সেপ্টেম্বরে জানায়, ২০৩০ সাল পর্যন্ত কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করবে। এ বিনিয়োগে ‘ডিজিটাল স্থিতিস্থাপকতা’র ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।


তবে বাহরাইনে থাকা কিছু ডেটা পুনরুদ্ধারের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে এডব্লিউএস। ক্রিগের মতে, এসব হুমকি উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পুরোপুরি থামিয়ে দেবে না; তবে এআই বিনিয়োগের ব্যয় ও ভৌগোলিক অবস্থান নিয়ে হিসাব বদলে দেবে।

তিনি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চল এত দিন অস্থিতিশীল অঞ্চলের মধ্যে স্থিতিশীল পরিবেশ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে। যুদ্ধ সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত আমিরাতের এআই অবকাঠামো ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাঁর মতে, ইরানের সঙ্গে কাতারের কূটনৈতিক সম্পর্ক দেশটিকে রাজনৈতিকভাবে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রাখে।

ক্রিগের ভাষায়, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের উদীয়মান ডিজিটাল অর্থনীতির ক্ষেত্রেও সেই কৌশল প্রয়োগের হুমকি দিচ্ছে, যা ইতোমধ্যে সামুদ্রিক অর্থনীতির ক্ষেত্রে দেখা গেছে—নির্ভরযোগ্যতাকেই ভূরাজনৈতিক দর-কষাকষির হাতিয়ারে পরিণত করা।

সময়ের আলো/জেডি 
  বিষয়:   ঝুঁকি  উপসাগরীয় অঞ্চল  ইন্টারনেট ব্যবস্থা  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: