চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর জেলা পরিষদ সড়কটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের পিচ উঠে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। বর্ষায় কাদাপানি আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও পথচারীরা।
১০ নম্বর সলিমপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরাংশ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণাংশের সংযোগকারী সড়কটি জাফরাবাদ পোস্ট অফিসের পাশ থেকে শুরু হয়ে বঙ্গোপসাগরের উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ব্যবসায়ী, স্থানীয় বাসিন্দা ও দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃষ্টিতে গর্তগুলো পানিতে ভরে যাওয়ায় গভীরতা বোঝা যায় না। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন আশপাশের বাসিন্দারা। ভাঙাচোরা সড়কের কারণে রোগী ও গর্ভবতী নারীদের হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।
সিএনজিচালক রফিক আহমেদ বলেন, এই রাস্তা দিয়া গাড়ী চালানো মানে এক কথায় অসাধ্য কাজ। গর্তে পড়ে প্রতিনিয়ত গাড়ির এক্সেল ও স্প্রিং ভেঙে যায়। যে টাকা আয় করি, তার অর্ধেকের বেশি চলে যায় গাড়ী মেরামতে।
স্থানীয় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জানান, কাদাপানিতে পিছলে পড়ে শিশুরা আহত হচ্ছে। গ্রীষ্মকালে ধুলাবালির কারণে শিক্ষার পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে।
কালুশাহ ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শাকিব জানায়, বৃষ্টির সময় সড়কের গর্তে পানি জমে থাকায় চলাচল করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর ও জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের কাছে সড়কটি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
সময়ের আলো/এমকে