নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে গ্যাসের গতি বৃদ্ধির কম্প্রেসার লাইন থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় আর কেউই বেঁচে নেই। এক এক করে সবাই পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। দগ্ধ হওয়ার চার দিন পর বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান স্বামী শরীফ হোসেন ও স্ত্রী রোজিনা আক্তার। এর আগে বুধবার রাতে মারা যান রোজিনার ভাই রিয়াজ।
এদিকে শুক্রবার সকালে মারা যায় দুর্ঘটনাকবলিত বাড়িটির কেয়ারটেকার রনি মিয়া।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক সার্জন চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার শুক্রবার সকালে তাদের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, বিস্ফোরণে রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ এবং শরীফ ও রিয়াজের ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার সকালে বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক রনি মিয়া মারা যান। এর আগে বুধবার দিবাগত রাত টায় শ্যালক রিয়াজ ও গত বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৪টায় স্ত্রী রোজিনা ও ভোর ৪টায় স্বামী শরীফের মৃত্যু হয়।
শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টায় সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর সোনাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ইসলাম টাওয়ার নামে ৬ তলায় ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষে গ্যাস লাইনের গতি বৃদ্ধির কম্প্রেসার লাইনের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী শরীফ হোসেন, তার স্ত্রী রোজিনা আক্তার, শ্যালক রিয়াজ ও ওই বাড়ির বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক রনি মিয়া দগ্ধ হন।
সময়ের আলো/এনএন