ভারতের দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতা নেহা বোরাকে আটক করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে দিল্লির কনট প্লেস এলাকায় জড়ো হওয়া লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করার উদ্যোগ নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লির কারোলবাগে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (শারদ পাওয়ার) মুখপাত্র আনিস গাওয়ান্ডের বাসা থেকে অভিজিৎ দিপকেকে আটক করা হয়।
এর আগে, সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা নিয়ে ‘তেরঙ্গা যাত্রা’ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিল তার দল। কর্মসূচি বন্ধ করতে দিপকের বাসায় গিয়ে পুলিশ নোটিশ দেয়। তবে সেই নোটিশ মানতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।
ককরোচ জনতা পার্টির ইনস্টাগ্রাম পেজে সরাসরি সম্প্রচার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আটকের সময় পুলিশের কাছে কর্মসূচি বন্ধের কারণ জানতে চান দিপকে। তিনি বলেন, তারা কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেননি; শুধু জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে চেয়েছেন। এ কাজের জন্যও অনুমতি প্রয়োজন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পুলিশের সঙ্গে কথোপকথনের আরেকটি ভিডিওতে দিপকেকে বলতে শোনা যায়, তাদের কোনো লাউডস্পিকার ছিল না এবং তারা কর্মসূচিটিকে বিক্ষোভ সমাবেশ হিসেবেও ঘোষণা করেননি। তাদের পরিকল্পনা ছিল জাতীয় পতাকা নিয়ে যাওয়া, পতাকা উত্তোলন করা এবং ফিরে আসা।
সিজেপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশি নোটিশে উল্লেখ করা অভিযোগগুলো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দিপকে।
দলটির নেতাদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগও দাবি করে আসছে দলটি। চলতি সপ্তাহের শুরুতে সিজেপির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
এদিকে, একই দিনে ছাত্রনেতা নেহা বোরাকেও আটক করে দিল্লি পুলিশ। তবে তার আটকের বিস্তারিত কারণ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে আলাদা করে কিছু জানানো হয়নি।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ