মিষ্টির লোভে ‘ফসলের শত্রুদের’ পাহারায় বিদেশি পিঁপড়া

সময়ের আলো ডেস্ক

বিবিধ

গাছের পাতা ও কচি ডালে সারি বেঁধে চলেছে ছোট ছোট পিঁপড়া। তাদের আশপাশে রয়েছে এমন কিছু পোকা, যারা গাছের রস

2026-10-17T03:36:37+00:00
2026-10-17T03:36:37+00:00
 
  শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬,
১ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
বিবিধ
মিষ্টির লোভে ‘ফসলের শত্রুদের’ পাহারায় বিদেশি পিঁপড়া
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৬ এএম 
ছবি : সংগৃহীত
গাছের পাতা ও কচি ডালে সারি বেঁধে চলেছে ছোট ছোট পিঁপড়া। তাদের আশপাশে রয়েছে এমন কিছু পোকা, যারা গাছের রস শুষে দুর্বল করে দেয়, ফলের ক্ষতি করে, এমনকি ছড়াতে পারে প্রাণঘাতী উদ্ভিদরোগও। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, পিঁপড়াগুলো বুঝি ওই পোকাগুলোকে শিকার করতে এসেছে। কিন্তু বাস্তবটা একেবারেই উল্টো। তারা পোকাগুলোকে আগলে রাখছে, তাদের আক্রমণ করতে আসা শত্রুদের তাড়িয়ে দিচ্ছে। বিনিময়ে পাচ্ছে মিষ্টি এক ধরনের তরল, যা তাদের প্রধান খাবারের উৎসগুলোর একটি। সূত্র : ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আসা আর্জেন্টাইন পিঁপড়ার এমন আচরণ এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের কৃষকদের জন্য বড় সমস্যা। পিঁপড়াগুলো নিজেরা সরাসরি গাছের পাতা বা ফল খেয়ে ফসল নষ্ট করে না বরং যেসব পোকা ফসলের ক্ষতি করে, তাদের রক্ষক হয়ে ওঠে। এর ফলে ক্ষতিকর পোকার প্রাকৃতিক শত্রুরা ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। আঙুরের ক্ষেত থেকে কমলালেবুর বাগান— বিভিন্ন কৃষি এলাকায় এই অদ্ভুত সম্পর্ক কীভাবে ক্ষতি বাড়াচ্ছে, তা নিয়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা।

মিষ্টির বিনিময়ে পাহারা
আর্জেন্টাইন পিঁপড়ার এই আচরণ বুঝতে হলে প্রথমে জানতে হবে, গাছের ক্ষতিকর পোকাগুলো কীভাবে খাবার সংগ্রহ করে। জাবপোকা, মিলিবাগ, সফট স্কেল ও এশীয় সাইট্রাস সাইলিডের মতো পোকা গাছের পরিবহনকারী কলা থেকে রস শুষে খায়। এ সময় তাদের শরীর থেকে বের হয় চিনিসমৃদ্ধ আঠালো তরল, যার নাম হানিডিউ বা মধুরস। মানুষের কাছে এটি বর্জ্য হলেও আর্জেন্টাইন পিঁপড়ার কাছে তা মূল্যবান খাবার।

পিঁপড়াগুলো গাছের ডাল ও পাতায় থাকা এসব পোকার কাছ থেকে মধুরস সংগ্রহ করে। অনেক সময় অ্যান্টেনা দিয়ে পোকাগুলোকে উদ্দীপিত করে তরল বের করতেও সহায়তা করে। পরে সেই খাবার নিয়ে ফিরে যায় বাসায়, যেখানে অন্যান্য কর্মী পিঁপড়া, লার্ভা ও রানীরাও খাবারের অংশ পায়।

বিনিময়ে তারা পোকাগুলোর চারপাশে পাহারা বসায়। লেডিবার্ড বিটল, লেসউইং বা পরজীবী বোলতার মতো প্রাকৃতিক শত্রু পোকা শিকার করতে এলে আর্জেন্টাইন পিঁপড়া তাদের তাড়িয়ে দেয় বা আক্রমণ করে। ফলে যেসব প্রাণীর উপস্থিতিতে ক্ষতিকর পোকার সংখ্যা স্বাভাবিকভাবে কমে আসার কথা, তারাই বাধার মুখে পড়ে।

এই সম্পর্ককে বিজ্ঞানীরা ‘খাবারের বিনিময়ে সুরক্ষা’ বা ফুড ফর প্রোটেকশন সম্পর্ক হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। অনেকটা খামারে গবাদিপশু রক্ষা করার মতো মনে হলেও এটি প্রকৃতিতে গড়ে ওঠা দুই প্রজাতির পারস্পরিক সুবিধার সম্পর্ক; পিঁপড়াগুলো সচেতনভাবে কৃষকদের ক্ষতি করার পরিকল্পনা করে না। তারা নিজেদের খাবার সংগ্রহ ও বেঁচে থাকার স্বাভাবিক আচরণই অনুসরণ করে। কিন্তু কৃষিজমিতে সেই আচরণের ফল হয়ে উঠছে বিপজ্জনক।

দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায়
আর্জেন্টাইন পিঁপড়ার আদি আবাস দক্ষিণ আমেরিকার পারানা নদী অববাহিকা, যা আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে ও উরুগুয়ের অংশজুড়ে বিস্তৃত। উনিশ শতকের শেষ দিকে জাহাজে পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে পিঁপড়াগুলো যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছায় বলে ধারণা করা হয়। দেশটিতে ১৮৯১ সালে লুইজিয়ানায় তাদের উপস্থিতি নথিবদ্ধ হয়। ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথম শনাক্ত করা হয় ১৯০৫ সালে।

ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলের নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া, নিয়মিত সেচ, বাগানের পরিচর্যা এবং মানুষের তৈরি আর্দ্র পরিবেশ তাদের বিস্তারের অনুকূল হয়ে ওঠে। পরে শহর, আবাসিক এলাকা, বাগান ও কৃষিজমিতে ছড়িয়ে পড়ে পিঁপড়াগুলো। ১৯৯০-এর দশকে রাজ্যটির উপকূলীয় ও শহুরে অঞ্চলের বড় অংশে তাদের বিস্তার স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

তবে তাদের সফলতার পেছনে শুধু আবহাওয়াই কাজ করেনি। আর্জেন্টাইন পিঁপড়ার উপনিবেশ গঠনের ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। নিজস্ব আবাসে ভিন্ন উপনিবেশের পিঁপড়াদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সংঘর্ষ দেখা যায়। কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়ায় ছড়িয়ে পড়া পিঁপড়াগুলোর মধ্যে এমন বিরোধ তুলনামূলকভাবে কম। জিনগত সাদৃশ্যের কারণে দূরবর্তী বাসার পিঁপড়ারাও অনেক সময় একে অপরকে একই উপনিবেশের সদস্য হিসেবে গ্রহণ করে।

ক্যালিফোর্নিয়ার এক বিস্তৃত অঞ্চলে এমন পরস্পর-সংযুক্ত উপনিবেশের অস্তিত্ব পেয়েছেন গবেষকরা। এ ধরনের বিশাল নেটওয়ার্ককে বলা হয় ‘সুপারকলোনি’। এর সদস্যরা একে অন্যের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শক্তি ক্ষয় না করে খাবারের সন্ধান ও নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার কাজে বেশি মনোযোগ দিতে পারে। ছোট আকারের পিঁপড়াগুলো এভাবে স্থানীয় অনেক প্রজাতির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যায়, এমনকি তাদের চেয়ে আকারে বড় পিঁপড়াকেও হটিয়ে দিতে পারে।

ক্ষতিকর পোকার সংখ্যা বাড়ে কীভাবে?
পিঁপড়ার কারণে কৃষকের সমস্যা কেবল গাছের ডালে পিঁপড়ার ভিড় দেখা নয়। মূল বিপদ হলো, তারা ক্ষতিকর পোকার স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টি করে। ক্যালিফোর্নিয়ার কৃষিতে বিশেষ করে এশীয় সাইট্রাস সাইলিড নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ছোট এই পোকা কমলালেবু ও অন্যান্য লেবুজাতীয় গাছের রস শুষে। এর চেয়েও বড় সমস্যা, এটি এমন একটি ব্যাকটেরিয়া বহন করতে পারে, যা হুয়াংলংবিং বা সাইট্রাস গ্রিনিং নামের মারাত্মক রোগের কারণ।

এই রোগে আক্রান্ত গাছের পাতা হলুদ হতে পারে, ফল ছোট ও বিকৃত হতে পারে এবং সময়ের সঙ্গে গাছের উৎপাদনক্ষমতা কমে যায়। রোগটির কার্যকর প্রতিকার নেই; আক্রান্ত সংবেদনশীল গাছ কয়েক বছরের মধ্যে মারা যেতে পারে। ক্যালিফোর্নিয়ায় রোগটি প্রথম শনাক্ত হয় ২০১২ সালে। অঙ্গরাজ্যটির লেবুজাতীয় ফল উৎপাদনে এ রোগের বিস্তার ঠেকানো তাই কৃষি কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

এশীয় সাইট্রাস সাইলিড দমনে গবেষকরা ‘টামারিক্সিয়া রেডিয়াটা’ নামের ক্ষুদ্র পরজীবী বোলতা ব্যবহার করছেন। এ বোলতা সাইলিডের অপরিণত অবস্থায় আক্রমণ করে এবং তার বংশবিস্তার কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু গাছে আর্জেন্টাইন পিঁপড়া থাকলে বোলতাটি বাধার মুখে পড়ে। পিঁপড়া তাকে আক্রমণ করতে পারে, তাড়িয়ে দিতে পারে বা পোকার কাছে পৌঁছানোর সুযোগ কমিয়ে দিতে পারে।

ক্যালিফোর্নিয়ার সাইট্রাস বাগানে কাজ করা গবেষকদের ২০২৬ সালের এক উপস্থাপনায় জানানো হয়, আর্জেন্টাইন পিঁপড়া এশীয় সাইট্রাস সাইলিডের ৫৫ শতাংশেরও বেশি প্রাকৃতিক শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করছে। গাছে পিঁপড়া সক্রিয় থাকলে সাইলিডের সংখ্যা প্রায় তিনগুণ হতে পারে এবং টামারিক্সিয়া বোলতার মাধ্যমে সাইলিডের পরজীবীকরণ প্রায় অর্ধেকে নেমে যেতে পারে। অর্থাৎ ক্ষতিকর পোকা কমানোর জন্য যে প্রাকৃতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, পিঁপড়ার উপস্থিতিতে সেটিই অনেকাংশে দুর্বল হয়ে পড়ছে।

এর প্রভাব কমলালেবুর বাগানেই সীমাবদ্ধ নয়। আঙুরের ক্ষেতেও মিলিবাগ ও স্কেল পোকার মতো রসশোষী পোকা ক্ষতি করে। 

এগুলো ফলের গায়ে জমে ফল নষ্ট করতে পারে, আবার মধুরসের কারণে গাছে কালচে ছত্রাকের আস্তরণও তৈরি হতে পারে। পিঁপড়াগুলো যখন এসব পোকার সুরক্ষায় এগিয়ে আসে, তখন কৃষককে একসঙ্গে পিঁপড়া ও ক্ষতিকর পোকা— দুই সমস্যারই মোকাবিলা করতে হয়।

পিঁপড়ার বিরুদ্ধে লড়াই সহজ নয়
আর্জেন্টাইন পিঁপড়ার বিস্তার ঠেকানো কঠিন, কারণ তাদের বাসা মাটির নিচে থাকে এবং একই অঞ্চলে একাধিক রানী ও বহু সংযুক্ত বাসা থাকতে পারে। গাছের ডালে দেখা কয়েকটি পিঁপড়া মেরে ফেললেই পুরো উপনিবেশের ক্ষতি হয় না। বাসার ভেতরে থাকা রানী, লার্ভা ও অন্য সদস্যরা বেঁচে থাকলে অল্প সময়ের মধ্যে কর্মী পিঁপড়ার সংখ্যা আবার বাড়তে পারে।

সাধারণ কীটনাশক স্প্রে করে তাৎক্ষণিকভাবে পিঁপড়া কমানো গেলেও এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এতে অনেক সময় উপকারী পোকা, বিশেষ করে ক্ষতিকর পোকার প্রাকৃতিক শত্রুরাও মারা যায়। ফলে যে পোকাগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব উপকারী প্রাণীর দরকার, তাদের সংখ্যাও কমে যায়। এ কারণে গবেষকরা পিঁপড়ার বাসায় পৌঁছাতে পারে এমন লক্ষ্যভিত্তিক টোপ ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছেন।

এ ধরনের টোপে চিনির দ্রবণের সঙ্গে খুব কম মাত্রায় কীটনাশক মেশানো হয়। কর্মী পিঁপড়ারা তা খাবার ভেবে বাসায় নিয়ে যায় এবং অন্য সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেয়। এতে বাসার ভেতরে থাকা সদস্যদেরও আক্রান্ত করার সুযোগ তৈরি হয়। দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ছয়টি নেভেল কমলালেবুর বাগানে পরিচালিত এক পরীক্ষায় টোপ ব্যবহারের প্রথম মাসে পিঁপড়ার সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমেছিল। পরবর্তী ১১ মাসে হ্রাসের হার ৮৮ শতাংশে পৌঁছায় বলে গবেষকরা জানিয়েছেন। তবে ফলাফল নির্দিষ্ট পরীক্ষার; প্রতিটি বাগানে একই ফল পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

আরেকটি পদ্ধতি হলো পচনশীল হাইড্রোজেল। ছোট জেলির মতো এই দানাগুলো চিনির দ্রবণ ও অতি অল্প মাত্রার কীটনাশক শোষণ করে রাখতে পারে। পিঁপড়া দানাগুলো থেকে খাবার সংগ্রহ করে বাসায় নিয়ে যায়। শৈবাল থেকে তৈরি অ্যালজিনেট হাইড্রোজেলের কিছু ধরন মাঠপর্যায়ের পরীক্ষায় কার্যকর বলে দেখা গেছে এবং পরিবেশে কয়েক দিনের মধ্যে ভেঙে যাওয়ার উপযোগী করে তৈরি করা যায়। পাশাপাশি গাছের ডালপালা ছেঁটে মাটির সংস্পর্শ কমানো, কাণ্ডে প্রতিবন্ধক বসানো এবং সেচের পাইপ ধরে পিঁপড়ার চলাচল কমানোর কৌশলও পরীক্ষা করা হচ্ছে।

২০২৬ সালের ২৮ মার্চ সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে প্রকাশিত একটি গবেষণায় আর্জেন্টাইন পিঁপড়া নিয়ন্ত্রণের আরেক সম্ভাব্য দিক পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে ‘মেথোপ্রিন’ নামের কৃত্রিম হরমোন-অনুরূপ পদার্থের বাষ্পের সংস্পর্শে পিঁপড়ার শরীরের বাইরের রাসায়নিক উপাদানে পরিবর্তন দেখা যায়। ওই গবেষণায় পরীক্ষাগারে কর্মী পিঁপড়া ও রানীর শরীরে এসব উপাদানের মোট পরিমাণ প্রায় ১৫ শতাংশ কমেছিল। এ ধরনের রাসায়নিক উপাদান পিঁপড়ার পারস্পরিক যোগাযোগ ও পরিবেশ থেকে সুরক্ষা পাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এটি এখনও পরীক্ষাগারভিত্তিক গবেষণা; পদ্ধতিটি মাঠে প্রয়োগ করে ফসল রক্ষায় কতটা কার্যকর হবে, তা জানতে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন।

আর্জেন্টাইন পিঁপড়ার এই গল্প দেখায়, প্রকৃতিতে একটি প্রজাতির সুবিধাজনক আচরণ অন্য প্রজাতি, এমনকি মানুষের জন্যও বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। পিঁপড়াগুলো ফসল খায় না, কিন্তু ফসলখেকো পোকাদের বাঁচিয়ে রেখে ক্ষতির পথ প্রশস্ত করে। তাই সমাধান খুঁজতে শুধু ক্ষতিকর পোকা মারলেই হবে না; তাদের রক্ষাকারী পিঁপড়ার ভূমিকাও বুঝতে হবে। কৃষিজমিতে উপকারী পোকাদের বাঁচিয়ে রেখে কীভাবে আর্জেন্টাইন পিঁপড়ার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেই ভারসাম্য খুঁজে পাওয়াই এখন গবেষকদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/এসএকে
  বিষয়:   মিষ্টি  ফসল  শত্রু  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
বিবিধ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: