নেতানিয়াহুকে সরাতে চান যারা, ফিলিস্তিন প্রশ্নে কতটা আলাদা তারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে একজোট হয়েছেন দেশটির পাঁচ বিরোধী নেতা। আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন সামনে রেখে গত

2026-10-17T20:47:18+00:00
2026-10-17T20:47:18+00:00
 
  শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬,
১ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
নেতানিয়াহুকে সরাতে চান যারা, ফিলিস্তিন প্রশ্নে কতটা আলাদা তারা?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৭ পিএম 
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে একজোট হয়েছেন দেশটির পাঁচ বিরোধী নেতা। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে একজোট হয়েছেন দেশটির পাঁচ বিরোধী নেতা। আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন সামনে রেখে গত ২৬ সেপ্টেম্বর একটি অনাক্রমণ চুক্তিতে সই করেন তারা। তবে নেতানিয়াহুর বিকল্প হিসেবে সামনে আসা এই নেতাদের অধিকাংশের অবস্থান ফিলিস্তিন, গাজা যুদ্ধ ও আঞ্চলিক সংঘাতের প্রশ্নে বর্তমান সরকারের নীতির খুব বেশি বিপরীত নয়।

তেল আবিবে বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদের বাসভবনে বৈঠকে অংশ নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট, ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়ার গোলান এবং ইসরায়েল বেইতেনু পার্টির প্রধান আভিগদর লিবারম্যান। বৈঠক শেষে তারা বলেন, আদর্শগত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ইহুদিবাদী, দায়িত্বশীল সরকার গঠন এবং দেশকে পুনর্গঠনের লক্ষ্য তাদের অভিন্ন।

তবে এই জোট কত দিন টিকবে, নেতানিয়াহুর বিকল্প হিসেবে কে নেতৃত্ব দেবেন এবং নীতিগতভাবে কতটা পরিবর্তন আসবে—এসব প্রশ্ন এখনো অনিশ্চিত। লিবারম্যান ইতোমধ্যে আইজেনকোটের বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করার অভিযোগ তুলেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, গোলান ছাড়া এই জোটের প্রধান নেতাদের অধিকাংশই ডানপন্থী রাজনীতির অনুসারী। তাদের কেউই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার করেননি। কেবল ডেমোক্র্যাটস পার্টি দূর ভবিষ্যতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে স্বীকার করে। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকার করা কিংবা যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের কেউই এগিয়ে আসেননি। লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন, কাতার ও ইরানে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বৈধতা নিয়েও তারা প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলেননি।

লন্ডনের কিংস কলেজের ইসরায়েলি বিশ্লেষক আহরন ব্রেগম্যানের মতে, বেনেট, লিবারম্যান ও আইজেনকোটের মতো নেতারা মূলত ডানপন্থী রাজনীতির প্রতিনিধিত্ব করেন। তার ভাষায়, ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাই সংকটের কেন্দ্রীয় বিষয়, কিন্তু বিরোধী নেতারা সেটি নিয়ে আলোচনা করতে চান না। নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাদের পার্থক্য মূলত দুর্নীতির অভিযোগ ও কট্টর ডানপন্থীদের ওপর নির্ভরতার প্রশ্নে।

গাদি আইজেনকোট : সেনাপ্রধান থেকে বিরোধী নেতা

৬৬ বছর বয়সি গাদি আইজেনকোট ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ছিলেন। ২০০৮ সালে হিজবুল্লাহ ও হামাসের মতো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ শক্তি’ প্রয়োগ এবং বেসামরিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ধ্বংস করার কৌশল—যা ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ নামে পরিচিত—প্রণয়নের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িত।

২০২২ সালে বেনি গান্টজের ন্যাশনাল ইউনিটি জোটের মাধ্যমে রাজনীতিতে আসেন তিনি। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর নেতানিয়াহুর গঠিত যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভায় যোগ দেন। ওই বছরের ডিসেম্বরে গাজায় যুদ্ধে অংশ নেওয়ার সময় তার ২৫ বছর বয়সি ছেলে গাল এবং দুই ভাতিজা নিহত হন।

২০২৪ সালের জুনে যুদ্ধ শেষ করার কোনো কৌশল নেই—এমন অভিযোগ তুলে গান্টজের সঙ্গে যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা ছাড়েন আইজেনকোট। পরের বছর তিনি মধ্যপন্থী ইয়াশার পার্টি গঠন করেন। পেশাদার সরকার, অতি-গোঁড়া ইহুদিদেরসহ সবার জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা এবং ৭ অক্টোবরের হামলার আগে নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতা তদন্তে রাষ্ট্রীয় কমিশন গঠনের পক্ষে তিনি।

তবে ইসরায়েলের যুদ্ধনীতির মূল লক্ষ্য নিয়ে তার অবস্থান অস্পষ্ট। যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার সমালোচনা করলেও সেই লক্ষ্যগুলোর বিরোধিতা করেননি তিনি। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনাকে ইসরায়েলের স্বার্থ থেকে দূরে নেওয়া একটি সমঝোতা হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন আইজেনকোট। লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রের বিধিনিষেধেরও সমালোচনা করেছেন তিনি।

নির্বাচনের পর আরব ইউনাইটেড লিস্ট বা রা’আম পার্টিকে সরকারে নেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন আইজেনকোট। তার বক্তব্য, ইসরায়েলকে ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াসহ তার শর্তগুলো কোনো আরব দল মেনে নেবে না।

নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদ : একসঙ্গে, তবে নীতিতে ডানপন্থী

২০২৬ সালের এপ্রিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদ যৌথ নির্বাচনী জোট ‘বিয়াহাদ’ গঠন করেন। ২০২১ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে নেতানিয়াহুর দুই সরকারের মধ্যবর্তী সময়ে তারা মিলিতভাবে প্রায় ১৮ মাস প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

৫৪ বছর বয়সি বেনেট অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের দীর্ঘদিনের সমর্থক। ৬২ বছর বয়সি লাপিদ মধ্যপন্থী ইয়েশ আতিদ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। যৌথ তালিকায় বেনেট প্রথম এবং লাপিদ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

লাপিদ তার জোটসঙ্গীকে ‘ডানপন্থী, তবে সৎ রাজনীতিক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের কেউই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেননি। ২০২১ সালের জোট সরকারে আরব রা’আম পার্টি যুক্ত হলেও বেনেট পরে স্বীকার করেন, এটি ছিল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম।


গাজায় যুদ্ধ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইসরায়েলের হামলা আন্তর্জাতিকভাবে কীভাবে দেখা হচ্ছে, তা নিয়ে লাপিদ প্রায়ই সমালোচনা করেন। তবে এসব সামরিক পদক্ষেপের যৌক্তিকতা নিয়ে তিনি খুব কমই প্রশ্ন তোলেন। বেনেট আরও কট্টর অবস্থানের জন্য পরিচিত। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জোরালো সমর্থক তিনি। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলারও প্রশংসা করেন বেনেট। ওই হামলায় কাতারের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হন।

বেনেট ও লাপিদ এখন কেবল ইহুদিবাদী দলগুলো নিয়ে সরকার গঠনের পক্ষে। আরব দলগুলোর সমর্থনের ওপর নির্ভর করতেও তারা রাজি নন।

আভিগদর লিবারম্যান : নেতানিয়াহুর সাবেক ঘনিষ্ঠ, এখন বিরোধী

ইসরায়েল বেইতেনু পার্টির প্রতিষ্ঠাতা আভিগদর লিবারম্যান ১৯৯৯ সালে রুশভাষী ডানপন্থী অভিবাসীদের প্রতিনিধিত্ব করার লক্ষ্য নিয়ে দলটি গঠন করেন। ৬৮ বছর বয়সী এই নেতা বিরোধী জোটের সবচেয়ে কট্টর অবস্থানের নেতাদের একজন।

একসময় নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী থাকলেও এখন তার নেতৃত্বে সরকারে যোগ দেওয়া কিংবা অতি-গোঁড়া ইহুদি দল বা আরব দলগুলোর সমর্থননির্ভর সরকারে অংশ নেওয়ার বিরোধিতা করছেন লিবারম্যান। ফলে আইজেনকোটকে বিরোধী জোটের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী করার পথে তাঁকে অন্যতম বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৩ সালের নভেম্বরে তিনি পুনরায় বলেন, গাজায় ‘কোনো নিরপরাধ মানুষ নেই’। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দোহায় হামলার ঘটনায় নেতানিয়াহু ট্রাম্প প্রশাসনের চাপে কাতারের কাছে ক্ষমা চাওয়ায়ও আপত্তি জানান। তার মতে, ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল ইসরায়েলের জনগণের কাছে। লেবাননে সামরিক অভিযান সীমিত রাখার বিরোধিতাও করেছেন তিনি।

ইসরায়েলি বিশ্লেষক শায়েল বেন-এফ্রাইমের মতে, লিবারম্যানের এই জোটে থাকার প্রধান কারণ নেতানিয়াহুর প্রতি বিরোধিতা। তবে তার অনুগত ভোটারভিত্তি রয়েছে এবং ইসরায়েলের রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ মনে করেন, পরিস্থিতি বদলালে তিনি আবার নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটে ফিরতে পারেন।

ইয়ার গোলান : ফিলিস্তিনি দলগুলোর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী

৬৪ বছর বয়সি ইয়ার গোলান বিরোধী নেতাদের মধ্যে একমাত্র ব্যক্তি, যিনি নিজেকে ইসরায়েলের বামপন্থী ধারার প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরেন এবং ফিলিস্তিনি দলগুলোর সঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রেখেছেন। সাবেক মেজর জেনারেল ও সেনাবাহিনীর উপপ্রধান গোলান ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলার সময় দক্ষিণ ইসরায়েলে গিয়ে হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করায় দেশে প্রশংসা পান।

ডেমোক্র্যাটস পার্টি ২০২৪ সালে লেবার পার্টি ও ধর্মনিরপেক্ষ সামাজিক গণতান্ত্রিক মেরেৎসের একীভূত হওয়ার মধ্য দিয়ে গঠিত হয়। গোলান গাজায় যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে নেতানিয়াহু সরকারের সমালোচনা করেছেন। তার মতে, সুস্পষ্ট কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক কৌশল না থাকায় সামরিক সাফল্য কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

২০২৫ সালের মে মাসে তিনি বলেন, ‘একটি সুস্থ দেশ শখ করে শিশুদের হত্যা করে না।’ গাজার শিশুদের অনাহারে রাখাকে মন্ত্রীরা উদ্‌যাপন করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বক্তব্যটি ইসরায়েলে বিতর্ক সৃষ্টি করলে পরে তিনি মন্তব্যটি থেকে সরে আসেন।

ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধের সামরিক সাফল্যের প্রশংসা করলেও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার সিদ্ধান্তকে ভুল বলেছিলেন গোলান। তাঁর যুক্তি ছিল, খামেনি মৃত্যুর যোগ্য ছিলেন কি না, সেটি নয়; বরং ওই হত্যাকাণ্ড ইসরায়েলের স্বার্থে কাজ করেছে কি না, সেটিই বিবেচ্য।

ফিলিস্তিনি দলগুলোর সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ থাকলেও সেপ্টেম্বরে আরব বালাদ পার্টির নেতা সামি আবু শেহাদেহকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার পক্ষে অবস্থান নেন গোলান। ৭ অক্টোবরের হামলা নিয়ে একটি নিবন্ধের কারণে তাকে অযোগ্য ঘোষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ অবস্থানের সমালোচনা করে আরব নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট লিস্ট ও কয়েকজন বিশ্লেষক।

এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসরায়েলি রাজনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ রই জুরের মতে, নিরাপত্তা ও সংঘাত নিয়ে গোলান ও লিবারম্যানের মধ্যে বড় মতপার্থক্য থাকলেও তাঁদের দুজনকে ছাড়া নির্বাচনে জেতার মতো জোট গঠন কঠিন। কারণ, দুজনই নেতানিয়াহুর বিরোধী, ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে এবং অতি-গোঁড়া ইহুদিদের সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতির বিরোধী।

সব মিলিয়ে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর প্রশ্নে ইসরায়েলের বিরোধী নেতারা একমত হলেও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র, গাজা যুদ্ধ কিংবা প্রতিবেশী দেশগুলোতে সামরিক অভিযান নিয়ে তাদের অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। ফলে নির্বাচনে সরকার বদলালেও ইসরায়েলের মূল নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিননীতি কতটা বদলাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 

সূত্র : আল জাজিরা 

সময়ের আলো/জেডি
  বিষয়:   নেতানিয়াহু  ফিলিস্তিন  ইসরায়েল  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: