প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৭ পিএম
বাংলাদেশকে ২৭২ রানের টার্গেট দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ছবি : সংগৃহীত তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুতেই চাপে পড়েছিল জিম্বাবুয়ে। প্রথম চার ওভারের মধ্যেই তিন উইকেট তুলে নেন বাংলাদেশের এই পেসার। তবে ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলরের বড় জুটিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশকে করতে হবে ২৭২ রান।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদের বলে এলবিডব্লু হয়ে ফেরেন ব্রায়ান বেনেট। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে একইভাবে বেন কারেনকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। সপ্তম ওভারে তাফাদজা সিগাকে উইকেটকিপার নুরুল হাসানের ক্যাচে পরিণত করে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন এই পেসার। মাত্র ২৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে জিম্বাবুয়ে।
এরপর দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিন। চতুর্থ উইকেটে দুজনের দৃঢ়তায় ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে জিম্বাবুয়ে। টেলর ছয় বছর পর ওয়ানডেতে ফিফটির দেখা পান। তাঁর সঙ্গে আরভিনও তুলে নেন অর্ধশতক। একপর্যায়ে তাদের জুটি দেড়শ রান ছাড়িয়ে যায়। ১০১ বলে ৮১ রান করে টেলর সাইফ হাসানের বলে মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ভাঙে গুরুত্বপূর্ণ এই জুটি।
নিজের পরের ওভারেই সিকান্দার রাজাকে ফিরিয়ে দ্বিতীয় উইকেট পান সাইফ। তবে আরভিন এক প্রান্ত আগলে রেখে রান তুলতে থাকেন। সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া এই ব্যাটসম্যানকে ৯৩ রানে থামান শরীফুল ইসলাম। তাঁর বলে নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দেন আরভিন। ১০৬ বলের ইনিংসে তিনি মারেন ৯টি চার।
এরপর শরীফুলের শিকার হন ব্রাড ইভানসও। নুরুলের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১ মেডেনসহ ১০ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন শরীফুল। শেষ দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারালেও মাসাকাদজা ও নিয়ামুরির ব্যাটে রান বাড়ায় জিম্বাবুয়ে। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ২৭১ রান করে তারা।
বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন। শরীফুল ইসলাম ও সাইফ হাসান নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।
সময়ের আলো/জেডি