প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম আপডেট: ১৮.১০.২০২৬ ৫:৪৩ পিএম
আনিসুল হক ও জুনাইদ আহ্মেদ পলক। ছবি : সংগৃহীত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীর হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলককে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১৮ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মামুন (২৫) নামের এক গাড়িচালকের বাঁ চোখ নষ্ট হওয়ার ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হুসাইন। মামলায় আনিসুল ও পলককে গ্রেফতার দেখাতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
আবেদনে বলা হয়, আনিসুল ও পলক অন্য মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে তারা তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এই মামলার তদন্তে ঘটনার সঙ্গে তাদের জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাদের এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন।
আজ বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে হাজতখানা থেকে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে কিছুক্ষণ পর শুনানি শুরু হয়।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, ‘শেখ হাসিনার পঞ্চপাণ্ডবের একজন ছিলেন আনিসুল। পলক ছিলেন জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর নিপীড়ন চালানোর অন্যতম মাস্টারমাইন্ড। ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে তিনি এই হত্যাকাণ্ডে সমর্থন জানিয়েছেন।’
তবে, তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের বিরোধিতা করেন পলকের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, ‘আসামি পলকের নাম এই মামলার এজাহারে নেই। ঘটনার ৭ মাস পর মামলাটি হয়। মামলায় আসামির বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো অপরাধের বর্ণনা নেই।’
এ সময় গ্রেফতার দেখানোর আবেদনের বিরোধিতা করেন আনিসুল হকের আইনজীবী। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে উক্ত আদেশ দেন আদালত।
সময়ের আলো/মহু