প্রকাশ: রোববার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৫ পিএম
প্রতীকী ছবিচলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণে আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ১১ লাখ। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ২ লাখ ৯১ হাজার ২০৯ জন শিক্ষার্থী মোট ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৩টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন। এসব আবেদন থেকে শিক্ষা বোর্ডগুলোর আয় হয়েছে ১৬ কোটি ৩১ লাখ টাকার বেশি।
রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত ১ নভেম্বর থেকে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়। পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী ৭ নভেম্বর রাত ৮টায় আবেদন শেষ হওয়ার কথা থাকলেও অনলাইন ব্যবস্থায় কারিগরি ত্রুটির কারণে সময় ১২ ঘণ্টা বাড়ানো হয়। ফলে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা।
নির্ধারিত সাত দিনে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছিলেন। সময় বাড়ানোর পর নতুন করে আবেদন করেন আরও ১২ হাজার ৩২৭ জন। এতে অতিরিক্ত ৪৯ হাজার ৬৯৬টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়ে।
প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রথম সাত দিনে জমা পড়ে ১৫ কোটি ৫৬ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫০ টাকা। বাড়তি ১২ ঘণ্টায় আদায় হয় আরও ৭৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪০০ টাকা।
এদিকে, পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের তারিখও এগিয়ে আনা হয়েছে। আগে ২৭ নভেম্বর ফল প্রকাশের কথা থাকলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৩ নভেম্বর ফল প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে গড় পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। ফেল করেছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী।
সময়ের আলো/এমকে