হজ সফরে যখনই সুযোগ পাওয়া যায় নফল তাওয়াফ করা। ফরজ তাওয়াফ যেভাবে আদায় করা হয়, একইভাবে নফল তাওয়াফ আদায় করতে হয়। তবে এতে বীরের মতো হাঁটা বা রমল নেই।
আর ইহরামের কাপড় ডান বগলের নিচ দিয়ে বাম কাঁধে ফেলে রাখার আমল ইজতেবাও নেই। তাওয়াফের প্রতি কদমে কদমে গুনাহ মাফ করা হয়। তাই যত বেশি তাওয়াফ আদায় করা যায়। এক্ষেত্রে ৭টি চক্করে একটি তাওয়াফ হয়।
এ তাওয়াফ নিজের জন্য করা যায়। অন্য কারও পক্ষ থেকে তাওয়াফ করা যায়। এটি নফল ইবাদত, তাই যার পক্ষ থেকে নিয়ত করে আদায় করা হবে তার পক্ষ থেকে আদায় হবে এবং সে সাওয়াব পাবে। মা-বাবা, উস্তাদ, প্রিয়জন, আত্মীয়-স্বজন, রাসুলে আকরাম (সা.) সাহাবায়ে কেরাম (রা.)Ñ যে কারও পক্ষ থেকে তা আদায় করা যেতে পারে।