নিষিদ্ধের পরও বিক্রি হচ্ছে রেনিটিডিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথম পাতা

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নির্মূলে বহুল প্রচলিত রেনিটিডিন গ্রæপের ওষুধ বিক্রি বন্ধ হয়নি। এর ব্যাপক চাহিদাকে পুঁজি করে অসাধু বিক্রেতারা ফার্মেসিগুলোতে এখনও

2019-10-01T00:00:00+00:00
2019-10-01T01:02:59+00:00
 
  বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬,
১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রথম পাতা
নিষিদ্ধের পরও বিক্রি হচ্ছে রেনিটিডিন
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:০০ এএম  আপডেট: ০১.১০.২০১৯ ১:০২ এএম
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নির্মূলে বহুল প্রচলিত রেনিটিডিন গ্রæপের ওষুধ বিক্রি বন্ধ হয়নি। এর ব্যাপক চাহিদাকে পুঁজি করে অসাধু বিক্রেতারা ফার্মেসিগুলোতে এখনও এ ওষুধ বিক্রি করছে। ওষুধ কোম্পানিগুলো এখন পর্যন্ত এ ওষুধ বাজার থেকে উঠিয়ে নিতে কোনো নির্দেশনা দেয়নি। সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমনটিই দেখা গেছে। সম্প্রতি দেশের অন্যতম শীর্ষ ওষুধ প্রস্তুতকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) তাদের তৈরি রেনিটিডিন ট্যাবলেটে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানের উপস্থিতির কারণে বিশ্ববাজার থেকে এটি তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। এ কারণে বাংলাদেশেও এ ওষুধ নিষিদ্ধ করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর।

ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বাজারে নিবন্ধিত বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির ২২০ ধরনের রেনিটিডিন ওষুধ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মাত্রার রেনিটিডিন ট্যাবলেট, সিরাপ ও ইনজেকশন। রেনিটিডিন প্রস্তুতকারী প্রায় প্রতিটি ফার্মা কোম্পানিরই বিভিন্ন মাত্রায় এই তিন ধরনের ওষুধ রয়েছে। গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনের রেনিটিডিন ওষুধটিতে মার্কিন ফুড ও ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) অল্পমাত্রায় এনডিএম (মেটালো বেটা ল্যাকটামেজ) পেয়েছে। এ ধরনের ব্যাকটেরিয়া দূষিত বাতাসে পাওয়া যায়, যা ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে চিহ্নিত হয়। এর আগে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ ভালসার্তান ও লোসার্তানের ব্যাপারে তদন্ত করে উচ্চমাত্রায় এনডিএম পেয়েছিল। সে সময় ওই ওষুধটিও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

এই ব্যাকটেরিয়া মানবদেহে ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। দূষিত বাতাস থেকে এটি মানবদেহে প্রবেশ করেই মারাত্মক ক্ষতি করে। সে ক্ষেত্রে যদি ওষুধের মাধ্যমে সরাসরি রক্তের সঙ্গে মিশে যায়, তাহলে ক্যানসারের ফ্যাক্টর বা সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে কাজ করতে পারে। তাই বাজারে থাকলেও রেনিটিডিন না কেনার পরামর্শই দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

ওষুধের বড় বাজার মিটফোর্ড, শাহবাগ ছাড়াও মিরপুর, ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, ওয়ারি, নারিন্দা, আরামবাগের বিভিন্ন ফার্মেসিতে এই গ্রুপের ওষুধ বিক্রি করতে দেখা গেছে।



Loading...
Loading...
প্রথম পাতা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: