‘১৫আগস্ট ছাত্রলীগ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, তাদের দুই গ্রুপের হাতেই অস্ত্র ছিল, আমি নিজে শিল্পকলা একাডেমির মধ্যে বসে শান্ত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেদিন পুলিশ না থাকলে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটত। সেদিন পুলিশের ভূমিকায় আমি পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই।’
মঙ্গলবার বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিকের বিদায় অনুষ্ঠানে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও বরগুনা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ এ সব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি সত্য কথা বলব, তাতে যা হয় হবে। আমি কাউকে ভয় করি না।’ বরগুনার এ ঘটনার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কর্তৃক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াকে দায়ী করেন তিনি।
বরগুনা পুলিশ লাইনের ড্রিল শেড মিলনায়তনে দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত বিদায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জালাল উদ্দিন, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব আলম, বরগুনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মতিউর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ফজলুল হক, পাবলিক প্রসিকিউটার ভুবন চন্দ্র হাওলাদার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি আব্দুল মোতালেব মৃধা, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সেলিনা আক্তার, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি সঞ্জীব দাস, বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আহমেদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বরগুনা ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের তাণ্ডব, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, স্থানীয় সংসদ সদস্য শম্ভুর সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার তর্ক এবং পুলিশের লাঠিপেটার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি ১৩ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।
/জেডও