ই-পেপার মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪

পূর্বাঞ্চলে তিন দিনে দুই গ্রাম মুক্ত করার দাবি ইউক্রেনের
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৩:২৩ এএম  (ভিজিট : ২০৫)
কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ গ্রাম ক্লিশচিভকাকে দখলমুক্ত করার দাবি করেছে ইউক্রেন। সে দেশের সেনাবাহিনীর ভাষ্য, রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান পাল্টা হামলায় শহরটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছে কিয়েভ। খবর এএফপির। 

ক্লিশচিভকার অবস্থান পূর্বাঞ্চলীয় নগর বাখমুতের দক্ষিণে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মস্কোর অভিযান শুরুর আগে ক্লিশচিভকায় বাস করত কয়েকশ মানুষ। এ বছর জানুয়ারি মাসে রুশ সেনারা শহরটির দখল নেন। শহরটিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে সবমিলে তিন দিনে পূর্বাঞ্চলে দুটি গ্রাম মুক্ত করার দাবি করল ইউক্রেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিজেদের পক্ষে সমর্থন জোরালো করতে ওয়াশিংটন সফরে যাবেন। আগামী সপ্তাহের সেই সফরকে সামনে রেখে যুদ্ধক্ষেত্রের এই জয়কে ইউক্রেনের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ইউক্রেন সেনাবাহিনীর স্থল অভিযান পরিচালনাকারী দলের কমান্ডার ওলেকসান্দর সিরস্কি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে বলেছেন, ‘ক্লিশচিভকাকে রুশ বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করা হয়েছে।’

রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বাখমুতের কাছে লড়াইরত সেনাদের প্রশংসা করেছেন জেলেনস্কি। বিশেষ করে যারা ক্লিশচিভকাকে দখলমুক্ত করেছেন, তাদেরকে তিনি বাহবা দেন। বলেন, ইউক্রেনের জন্য নতুন প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনায় আকাশ প্রতিরক্ষা ও গোলাবারুদকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে তিনি এই ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলেননি। 

জ্যেষ্ঠ দুই পশ্চিমা কর্মকর্তা যখন যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ঠিক সেই সময়ে ইউক্রেন ক্লিশচিভকা দখলমুক্ত করার দাবি করল। মার্কিন সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মার্ক মিলে সম্প্রতি বলেন, রুশ বাহিনীকে উৎখাত করাটা খুব কঠিন হবে। অবশ্য কিয়েভ পাল্টা হামলায় ব্যর্থ হয়েছে বলে অনেকে দাবি করে থাকলেও তা মানতে রাজি নন মিলে। তিনি মনে করেন, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো বিপুল সক্ষমতা এখনও ইউক্রেনের রয়েছে।

পূর্বাঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনাদের মুখপাত্র ইলিয়া ইয়েভলাশ বলছেন, ক্লিশচিভকা দখলমুক্ত হওয়ার ঘটনা বাখমুত ঘিরে ফেলার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখবে। সুদীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর গত মে মাসে বাখমুতের দখল নিয়েছিল রুশ বাহিনী। টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে ইয়েভলাশ আরও বলেন, ক্লিশচিভকা দখল করার মধ্য দিয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনী আগের চেয়ে সহজে যুদ্ধক্ষেত্রে অগ্রসর হতে পারবে। এর মধ্য দিয়ে আরও যথাযথভাবে গোলা হামলা চালানো যাবে।

রোববার জার্মানির ফুনকে মিডিয়া গ্রুপ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ন্যাটোপ্রধান জেনস স্টোলটেনবার্গও আশঙ্কা প্রকাশ করেন, শিগগিরই এই যুদ্ধের অবসান হচ্ছে না। তিনি বলেন, বেশির ভাগ যুদ্ধই শুরুতে যেমনটা ধারণা করা হয়, তার চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি হয়।
 
এর আগে গত শুক্রবার বাখমুতের দক্ষিণে অবস্থিত আন্দ্রিভকা নামের একটি গ্রাম দখলমুক্ত করার দাবি করে ইউক্রেন। তবে পর দিন শনিবার গ্রামটি থেকে নিজেদের বাহিনীর পিছু হটার কথা অস্বীকার করে রাশিয়া।


সময়ের আলো/আরএস/




https://www.shomoyeralo.com/ad/1698385080Google-News-Update.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫ | ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com
close