জাকাত ইসলামের অন্যতম রোকন বা স্তম্ভ। অধিক সওয়াবের আশায় অনেকে রমজান মাসে জাকাত আদায় করে থাকেন। যদিও জাকাতের সঙ্গে রমজানের সম্পর্ক নেই, তবু এই মাসে জাকাত আদায় করা অধিক সওয়াবের কাজ।
জাকাত মানুষের সম্পদ পবিত্র করে, দারিদ্র্য মোচন করে, উৎপাদন বৃদ্ধি করে, অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করে এবং সমাজে শান্তি আনে। কিন্তু না জানার কারণে বা অবহেলায় অনেকে সঠিক সময়ে জাকাত আদায় করেন না। বছরের পর বছর জাকাত অনাদায় থেকে যায়। অথচ প্রতিবছরই সে জাকাত দেওয়ার মতো পূর্ণ নেসাবের মালিক ছিল। এখন অতীতের এসব বকেয়া জাকাত কীভাবে আদায় করতে হবে। এর পদ্ধতিই বা কী?
আসলে স্বর্ণ বা রুপার সঙ্গে নগদ অর্থের মালিক হলে এবং তার ওপর এক বছর অতিবাহিত হলে স্বর্ণ বা রুপার দাম ধরে তার সঙ্গে নগদ অর্থ যোগ করে ৫২.৫ তোলা রুপার সমমূল্য হলে জাকাত প্রদান করা জরুরি।
এ হিসাবে জাকাত আদায় করার পদ্ধতি হলো, বিগত প্রতিবছর যে টাকা ও স্বর্ণ ছিল তার ৪০ ভাগের ১ ভাগ জাকাত দিতে হবে। অর্থাৎ ছয় ভরি স্বর্ণের মূল্য ও ৫ হাজার টাকা যোগ করলে যা হয় তার ৪০ ভাগের এক ভাগ জাকাত দিতে হবে। আল্লাহ বোঝার ও আমল করার তওফিক দিন। আমিন। (হেদায়া : ২/৩৫; ফাতাওয়া আলমগিরি : ১/১৭৯)