ডেল্টা পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন বঙ্গবন্ধু টানেল

নিরঞ্জন রায়

সম্পাদকীয়

সম্প্রতি বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। গত ২৮ অক্টোবর

2023-11-05T03:15:39+00:00
2023-11-05T03:15:39+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬,
১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
সম্পাদকীয়
ডেল্টা পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন বঙ্গবন্ধু টানেল
নিরঞ্জন রায়
প্রকাশ: রোববার, ৫ নভেম্বর, ২০২৩, ৩:১৫ এএম 
ডেল্টা পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন বঙ্গবন্ধু টানেল
সম্প্রতি বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। গত ২৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এই টানেলের উদ্বোধন করেন। বঙ্গবন্ধু টানেলের বেশ কিছু বিশেষত্ব আছে। প্রথমত, বাংলাদেশে তো বটেই, এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। সেই দিক থেকে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণের সফলতায় বাংলাদেশি হিসেবে আমরা যথেষ্ট গর্বিত। এই টানেল চট্টগ্রামের দুই প্রান্তের মধ্যে দূরত্ব কমাবে ৪০ কিলোমিটারেরও বেশি।

এই টানেলকে কেন্দ্র করে এতদঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠার ব্যাপক সম্ভাবনা আছে এবং ইতিমধ্যে টানেলের দুই প্রান্তের শহরকে চীনের সাংহাই শহরের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। সেই বিবেচনায় বঙ্গবন্ধু টানেল দেশের জিডিপিতে যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

সবকিছু ছাড়িয়ে বঙ্গবন্ধু টানেল হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের গৃহীত ডেল্টা পরিকল্পনার আরেকটি সফল বাস্তবায়ন। অবকাঠামো হচ্ছে কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির পূর্বশর্ত। দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি করতে হলে সবার আগে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে। শুধু তাই নয়। যত বেশি অবকাঠামো, তত বেশি অর্থনৈতিক উন্নতি। তাই সব দেশই অবকাঠামো নির্মাণ করে থাকে এবং আমাদের দেশেও আগে অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই তো হবে না। 
অবকাঠামো নির্মাণ করতে হয় আগামী শত বছরের চাহিদার কথা বিবেচনায় নিয়ে। অর্থাৎ আগামী একশ বছর পরে দেশের অবস্থা কেমন হবে, বিশেষকরে দেশকে কীভাবে দেখতে চায়, সেই বিবেচনা মাথায় রেখে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হয়। এভাবে দীর্ঘ সময়ের চাহিদার কথা বিবেচনায় না রেখে অবকাঠামো নির্মাণ করলে সেই অবকাঠামো কোনো কাজেই আসে না। আমাদের দেশে গত শতাব্দীর আশির দশকে দেশব্যাপী বিশাল বিশাল কড়ইগাছ নিধন করে মহাসড়ক নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই অবকাঠামো মানুষের কোনো উপকারে আসেনি। কেননা এক লেনের সেই মহাসড়ক নির্মাণের এক দশকের মধ্যেই দেশে দুই লেনের মহাসড়কের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। 

 সেই দিক থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক ব্যতিক্রমী এবং দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন উন্নত বিশে^র আদলে শত বছরের চাহিদা মাথায় রেখে দেশের জন্য ডেল্টা পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে। এই ডেল্টা পরিকল্পনা অনুসরণ করে সরকার এখন পর্যন্ত যত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বা বাস্তবায়নের পর্যায় আছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-১. পদ্মা সেতু, ২. ঢাকায় মেট্রোরেল, ৩. এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে, ৪. বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল, ৫. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ৬ পায়রা কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র, ৭. কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ, ৮. চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ, ৯. যমুনা নদীর ওপর পৃথক স্বতন্ত্র রেলওয়ে ব্রিজ নির্মাণ, ১০. দেশের মহাসড়ক চার এবং ছয় লেনে রূপান্তর, ১১. দেশের অধিকাংশ অঞ্চল রেলপথের আওতায় নিয়ে এসে ডাবল লাইন নির্মাণ, ১২. কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের বৃহত্তম বিমানবন্দর নির্মাণ এবং ১৩ দেশব্যাপী ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট লাইন স্থাপন। 

বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০১০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশের যুগ হবে উন্নতির সোপান নির্মাণের এক স্মরণীয় সময়কাল। কারণ এই সময়কালে দেশে সর্বাধিক সংখ্যক মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে তার সফল বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। সেসব অবকাঠামো এখন দৃশ্যমান এবং জনগণ এর সুবিধা পেতে শুরুও করেছে। এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বেশিসংখ্যক দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো নির্মাণের দৃষ্টান্ত সমসাময়িক বিশ্বে আর কোথাও আছে কি না আমাদের জানা নেই। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশেও আগামীতে এতগুলো অবকাঠামো মাত্র এক দশক সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বার নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। 

বলা যায়, অবকাঠামো নির্মাণে বাংলাদেশ একধরনের রেকর্ড সৃষ্টি করেছে, যার কৃতিত্ব দেশের জনগণের হলেও, একক নেতৃত্বের কৃতিত্ব অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। আজ অনেকেই অনেক কথা বলেন, অনেক পেশাজীবীও বেশ সমালোচনার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা কি আজ থেকে দেড় যুগ আগে কখনো কল্পনা করেছিলেন যে বাংলাদেশে নদীর তলদেশ দিয়ে একটি টানেল নির্মিত হবে এবং সেই টানেল দিয়ে দ্রুতগতির গাড়ি চলবে বা পদ্মা নদীর ওপর একটি সেতু হবে এবং সেই সেতু দিয়ে মাত্র চার ঘণ্টায় দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে যাবেন বা ঢাকার মেট্রোরেল দিয়ে মাত্র ৪৫ মিনিটে উত্তরা থেকে মতিঝিল চলে যাবেন। নিশ্চয়ই আমরা কেউ এমনটি স্বপ্নেও ভাবিনি, অথচ এগুলো সবই আজ বাস্তবতা এবং আমাদের সবার কাছে দৃশ্যমান। এতসব অবকাঠামো নির্মাণের ফলে সমগ্র যোগাযোগব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। নির্মাণাধীন অন্যান্য অবকাঠামো, বিশেষ করে সব রেললাইন এবং মহাসড়কের কাজ সম্পন্ন হলে সমগ্র বাংলাদেশ তখন মাত্র ৬ ঘণ্টার দূরত্বের মধ্যে চলে আসবে। 

বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণের কারণে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে গেছে। ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে অনেক নদীর ওপর পরিবেশের ক্ষতি করে সেতু নির্মাণের পরিবর্তে তলদেশ দিয়ে এ রকম আরও অনেক টানেল নির্মাণ করা সহজ হবে। টানেলটি নির্মিত হয়েছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে, যেখানে রয়েছে দেশের সবচেয়ে বৃহত্তম আন্তর্জাতিক মানের সমুদ্রবন্দর। এই সমুদ্রবন্দর দিয়েই দেশের অধিকাংশ পণ্য আমদানি-রফতানি হয়ে থাকে। ফলে এই টানেলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিদেশি বিনিয়োগের চমৎকার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ এই অঞ্চলের কিছু বিশেষ সুবিধা আছে যা বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। 

প্রথমত, টানেলের অপরপ্রান্ত, আনোয়ারায় ইতিমধ্যে কোরিয়া ইপিজেড গড়ে উঠেছে, যা অন্যান্য বিদেশি বিনিয়োগকারীর জন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে। 

দ্বিতীয়ত, অঞ্চলটি দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের অতি নিকটে। ফলে এই অঞ্চলে স্থাপিত কোনো কারখানায় উৎপাদিত পণ্য তাৎক্ষণিক রফতানির জন্য জাহাজে উঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। তবে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে হলে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে বাংলাদেশকে বিদেশি বিনিয়োগের হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই বিদেশি বিনিয়োগের জন্য ভালো সাড়া পাওয়া যাবে। অর্থাৎ বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতে উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে আশপাশের দেশে রফতানি করার সুযোগ পায়। 

আমাদের ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার বড় ভূমিকা আছে। তবে শুধু রোডশো করে এর কিছুই হবে না। সরাসরি কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। যার মধ্যে প্রথমেই নিজস্ব গবেষণা এবং যোগাযোগের মাধ্যমে বিশ্বের সেই সব বিনিয়োগকারীকে খুঁজে বের করতে হবে, যারা এমারজিং মার্কেটে বিনিয়োগে এবং উৎপাদনকেন্দ্র গড়ে তুলতে আগ্রহী। সেসব বিনিয়োগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সরাসরি বিনিয়োগের প্রস্তাব দিতে হবে। সঠিকভাবে যোগাযোগ করতে পারলে অনেকের কাছ থেকেই ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাবে। 

এখানে একটি বিষয় খবুই প্রাসঙ্গিক তা হচ্ছে সাম্প্রতিক বিশ্ব রাজনীতির নানা উত্তেজনাকর ঘটনার কারণে অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান যাদের উৎপাদন ক্ষেত্র বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে, তারা সেগুলোকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। বাংলাদেশও এই সুযোগ নিয়ে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসেরও ভালো ভূমিকা রাখার আছে। বিশেষকরে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের ব্যাপারে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করে এবং সম্ভব হলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করে দিতে পারে। তা ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও কাজে লাগানো যেতে পারে। বিশেষকরে যারা এসব বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন বা এসব বিনিয়োগকারী সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন তাদের কাজে লাগানো যেতে পারে। 

আরও একটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা হচ্ছে দেশের নির্মিত সব আধুনিক অবকাঠামোর সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হলে দেশের ব্যাংকিং খাতের মান উন্নতির কোনো বিকল্প নেই। কারণ ব্যাংকিং সুবিধা যদি আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি না হয়, তা হলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ব্যাংকিং লেনদেন পরিচালনা করতে সমস্যা হবে। ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা তখন সমস্যার সম্মুখীন হবেন এবং লেনদেন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন না, যা প্রকারান্তরে বিদেশি বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করবে। তাই আমাদের দেশের ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে এই খাতের মান একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত নিতেই হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। মোটকথা বঙ্গবন্ধু টানেলকে কেন্দ্র করে বিদেশি বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। দেশের দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো নির্মাণ যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক উন্নতি সাধিত করেছে। তেমনি ব্যাংকিং খাতের মান উন্নয়ন করে দেশের আর্থিক লেনদেনের মানদণ্ড আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কাছাকাছি নিয়ে যেতে হবে। 

বর্তমান সরকারের গৃহীত ডেল্টা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এক ডজনের বেশি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করে দীর্ঘমেয়াদি সব অবকাঠামো চালুও হয়ে গেছে। এ রকম আরও কিছু মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ বেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে এবং আশা করা যায় খুব সহসাই সেসব অবকাঠামো চালু হয়ে যাবে।

এ ছাড়া আরও অসংখ্য বৃহৎ ও মাঝারি প্রকল্পও বাস্তবায়ন হয়েছে। এভাবে একসঙ্গে এত মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সব অবকাঠামোর সফল নির্মাণের মাধ্যমে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে গেছে। প্রথমত, সরকারের গৃহীত ডেল্টা প্রকল্প প্রণয়ন যথার্থ এবং সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ ছিল। দ্বিতীয়ত, সরকার ডেল্টা প্রকল্প অনুসরণ করেই একের পর এক মেগা প্রকল্প এবং বৃহৎ ও মাঝারি প্রকল্প গ্রহণ করে তার সফল বাস্তবায়ন করে চলেছে। 

তৃতীয়ত, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটানা দেড় যুগের মতো দেশ চালানোর সুযোগ পাওয়ার সাহসী সব সিদ্ধান্ত নিয়ে ডেল্টা পরিকল্পনার উল্লেখযোগ্য বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন, যার সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে এই বঙ্গবন্ধু টানেল।

অ্যান্টি-মানিলন্ডারিং বিশেষজ্ঞ

সময়ের আলো/আরএস/




Loading...
Loading...
সম্পাদকীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: