ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে শনিবার (২৮ জুন) দুপুর দুইটায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হয় লাখো মানুষের এ সমাবেশের মূল পর্ব।
সমাবেশে জামায়াত নেতাদের মধ্যে উপস্থিত হন দলটির নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার, সহকারী সেক্রেটার রফিকুল ইসলাম খান। যোগ দেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, গণ অধিকার সভাপতি নূরুল হক নূর, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মূসা বিন ইজহার, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমাদ আবদুল কাদের মহাসচিব, ইসলামী ঐক্যজোট মহাসচিব মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন রাজি, বাংলাদেশ খেলাফত মহাসচিব জালাল উদ্দীন, খেলাফত আন্দোলন মহসচিব ইউসুফ সাদিক হক্কানি প্রমুখ।
এছাড়াও মহাসমাবেশে যোগ দেন জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসবি গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, বোধিজ্ঞান ভাবনাকেন্ত্রের সভাপতি দয়াল কুমার বড়ুয়া, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও।
এদিন দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল মহাসমাবেশে যোগ দেয়। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আকতার হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মহাসমাবেশে যোগ দেয়।
এর আগে, এদিন সকাল ১০টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আয়োজনের প্রথম পর্ব শুরু হয়। এতে বক্তব্য দেন দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন। এ সময় তারা ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দেন।
সংস্কার, বিচার ও পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে এবং দেশ ও ইসলামবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে আয়োজিত মহাসমাবেশ থেকে ১৬ দফা দাবি সম্বলিত ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়। দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
সময়ের আলো/জেডআই