বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবিরি রিজভী বলেছেন, মিডফোর্ড হাসপাতালের সামনে হত্যার ঘটনার বিষয়টি উদঘাটন করার দায়িত্ব হচ্ছে প্রশাসনের বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। এ ঘটনায় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের যাদের নাম পাওয়া গেছে তাদেরকে রাতেই আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গতকালের যে ঘটনা ঘটেছে এর সাথে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ কোনো কোনো রাজনৈতিক দল দেখছি ওই ঘটনাকে রাজনৈতিক কালার দেওয়ার চেষ্টা করছে। এখানে দল কোথায় জড়িত, দলের নামধারী কেউ হতে পারে। এটাতো দলের পদ পদবি নিয়ে সংঘর্ষ হয়নি। দলের মতাদর্শ নিয়ে ঝগড়া হয়নি, ঝগড়া হচ্ছে তাদের ব্যবসা নিয়ে, এগুলো তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার।
শনিবার উত্তরায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন করতে গিয়ে রুহুল কবিরি রিজভী এসব কথা বলেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, যে নিহত হয়েছেন আর যারা ঘাতক তাদের মধ্যে ঝগড়া চলছে। এটি যুগ যুগ ধরে তারা করে আসছে এখন পট পরির্বতন হয়েছে ওয়ার্ড পর্যায়ের কেউ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হতে পারে, যা মহানগর বা কেন্দ্রীয় নেতারা জানেন না। কোনো ধরণের অপর্কম সংঘাত বা মানুষ হত্যায় যারা জড়িত তাদের ছাড় নেই। তারা মাটির গভীরে গেলে সেখানে থেকে ধরে এনে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন যাতে এ ধরণের ঘটনা না ঘটে।
রিজভী বলেন, দুই একটি রাজনৈতিক দল মিছিল করে বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। আমরা যদি শেখ হাসিনার মতো নিশ্চুপ থাকতাম, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিতাম, তাদের বহিস্কার না করতাম তাহলে এক কথা ছিল কিন্তু দল অবিলম্বে বিচার ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাহলে আপনারা মিছিল করছেন কেন? মানে একটা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য। আমরা আপনাদের অতীত অপকর্ম ভুলে যাইনি। আমরা ভুলে যাইনি সে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্রগ্রাম বিশ্বিবিদ্যালয়ের ছাত্রদের কিভাবে পায়ের রগ কেটেছে, কিভাবে বাসের ভিতর থেকে ছাত্রদল নেতাকে ধরে বিনোদপুর গ্রামে হত্যা করা হয়েছে, আপনাদের নৃশংতা, আপনাদের ভয়াবতা মানুষ ভুলে যায়নি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপির ইতিকাচক দিকগুলো উপক্ষো করে ফায়দা লুটের চেষ্টা করছেন তাতে কোনো লাভ হবে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হক, সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, কেন্দ্রীয় নেতা মাহমুর রহমান সুমন, মহানগর নেতা এসএম জাহাঙ্গীর, কফিলউদ্দিন প্রমুখ।