বুধবার (১৬ জুলাই) ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, কমিশনের নির্দেশনায় ওয়েবসাইট হালনাগাদ করা হয়েছে।
২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের এক প্রশাসনিক আদেশে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকটি বিধিমালা থেকে বাদ দেয় ইসি। একই সঙ্গে ওয়েবসাইট থেকেও প্রতীকটি সরিয়ে নেয় সংস্থাটি। তবে তালিকায় দলের নাম ও ক্রমিক নম্বর থেকে যায়। এরপর ২০১৩ সালে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে দলটির নিবন্ধন বাতিল করে ইসি। সে সময় দলের নামও সরিয়ে নেওয়া হয়। তখন থেকে ইসির তালিকায় জামায়াতের ১৪ নম্বর ঘরটি ফাঁকা ছিল এতোদিন।
সম্প্রতি আদালতের নির্দেশনায় দলটিকে প্রতীকসহ নিবন্ধন ফিরিয়ে দেয় ইসি। সে সময় নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, দলটিকে প্রতীকসহ নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিল এবং সেটা পরে আদালতের আদেশে বাতিল করা হয়। কিন্তু আদালত ফের নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়ায় দলটি প্রতীকসহই নিবন্ধন পাবে।
সময়ের আলো/জেডআই