ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বর্বর হামলার দুই বছর হতে চলল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হামলার পর থেকেই একদিনের জন্য থামেনি ইসরায়েলি হত্যাকাণ্ড। অবরোধ, বোমাবর্ষণ, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলাই গাজাবাসীর নিত্যদিনের সঙ্গী হয়েছে।
এরইমধ্যে ইসরায়েলি বাহিনীর নৃসংশতায় গাজা উপত্যকায় এ পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ হাজার ৭৪ জনে। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৬৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২৬৫ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৪ অক্টোবর) ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তবে ধারণা করা হচ্ছে, আসল মৃত্যুর সংখ্যা আরও অনেক বেশি। কারণ গাজা জুড়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে হাজারো মরদেহ এখনো চাপা পড়ে আছে।
এছাড়া যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় মোট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৪৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতের মধ্যে শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সের মানুষ রয়েছে বলে দাবি ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের।
ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ চরম আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) গত এক দিনে তাদের হামলা বা অভিযানের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অনাহার ও অপুষ্টিজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫৯ জনে। এর মধ্যে ১৫৪ জন শিশু।
সম্প্রতি জাতিসংঘের বৈশ্বিক সম্মেলনে সম্প্রতি ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ। ফ্রান্স ও সৌদি আরবের আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রথমে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগাল, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, আন্দোর্রা, মোনাকো। এরপরও থেমে নেই ইসরাইলের নিষ্ঠুর হামলা। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ চরম আকার ধারণ করেছে।
এসকে/