ইন্দোনেশিয়ায় নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চলে বার্ষিক মৌসুমি বর্ষা, যার সঙ্গে প্রায়ই ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও পানিবাহিত রোগ দেখা দেয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বর্ষার সময়কাল ও তীব্রতাও আগের তুলনায় আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। ইন্দোনেশিয়ায় ফের ঘটল এক মারাত্মক প্রাকৃতিক বিপর্যয়। মধ্য জাভার সিলাকাপ জেলায় ভয়াবহ ভূমিধসে কমপক্ষে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ২১ জন এখনও নিখোঁজ।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দেশটির দুর্যোগ প্রশমন কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মধ্য জাভার সিলাকাপ জেলার তিনটি গ্রামে ভূমিধস হয়। এতে বেশ কয়েকটি বাড়ি চাপা পড়ে ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘শুক্রবার সকাল পর্যন্ত আমরা ২৩জনকে জীবিত উদ্ধার করেছি। দুই জনের মরদেহ পাওয়া গেছে, আর ২১ জনকে এখনও খোঁজা হচ্ছে।’
নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মুহারি জানান, নরম ও অস্থিতিশীল মাটি উদ্ধারকার্যের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করছে, তবে ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা চরম আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল। তারা জানিয়েছিল, এ ধরনের আবহাওয়া বিভিন্ন অঞ্চলে অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও অন্যান্য জলবায়ুগত বিপর্যয় ঘটাতে পারে।
উল্লেখ্য, এ মাসের শুরুতে দূরবর্তী পাপুয়া অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১৫ জন মারা যান এবং আরও আটজন নিখোঁজ হন।
সময়ের আলো/এনএ