ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের বানারঘাট্টা জাতীয় উদ্যানে পর্যটকদের একটি বাসে চিতাবাঘের হামলায় এক নারী পর্যটক আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবারের এই ঘটনার ভিডিওটি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং তা নিয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
এদিন একটি সাফারি বাসে ১২ জনেরও বেশি পর্যটক জঙ্গলে ঘুরতে বের হন। হঠাৎ বাসের সামনে একটি চিতাবাঘ চলে আসে। বাসের চালক দ্রুত বাস থামিয়ে দেন। প্রথমে চিতাবাঘটি বাসের আশপাশে ঘুরতে থাকে এবং পরে বাসে উঠে আসার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে জানালার কাছে এসে বাসে থাকা এক নারী পর্যটকের হাতে থাবা বসায় চিতাবাঘটি, এমনকি তার কাপড়ও টেনে ধরে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাসে থাকা অন্যান্য পর্যটকদের মধ্যে। একপর্যায়ে বাসের জানালা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং চিতাবাঘটি সরে যায়।
ভিডিওতে দেখা যায়, বাসের জানালার বাইরে বড় গ্রিল থাকায় চিতাবাঘটি বাসের ভিতরে ঢুকতে পারেনি। যার ফলে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। এই ঘটনায় আহত নারী পর্যটক চেন্নাই থেকে তার পরিবারসহ কর্ণাটকে বেড়াতে এসেছিলেন। তবে তিনি এখন সুস্থ আছেন।
আরও পড়ুন
এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এলিজাবেথ কুরিয়ান নামে এক সাংবাদিক ভিডিওটি এক্স (আগের টুইটার) প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করার পর তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই ভিডিওটি দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, আবার অনেকে চিতাবাঘের দ্রুতগতির ও হিংস্র আক্রমণ দেখে বিস্মিত হয়েছেন। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘এমন হিংস্র চিতাবাঘ! কী ভাগ্য যে ওই নারী বেঁচে গেছেন।’
এই ভয়ঙ্কর ঘটনাটি একটি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে- বন্যপ্রাণীর সঙ্গে মানুষের মিথস্ক্রিয়া নিয়ে এবং কীভাবে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেতে পারে এমন এক পরিস্থিতিতে।
এএডি/