ভেনেজুয়েলাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন ধরনের অভিযান শুরুর পরিকল্পনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে চার মার্কিন কর্মকর্তা। প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর সরকারের ওপর চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, মাদুরোর বিরুদ্ধে অভিযানের প্রথম ধাপ গোপন সামরিক কার্যক্রম হতে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না তা জানা যায়নি। অভিযান কবে পরিচালনা করা হবে বা অভিযানের পরিধিও এখনো স্পষ্ট নয়।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে ‘কিছুই বাদ দেওয়া হচ্ছে না’।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে দুজন রয়টার্সকে বলেছেন, বিবেচনায় থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিষয়টিও থাকতে পারে।
ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোর সরকারের বিরুদ্ধে অবৈধ মাদকের সরবরাহ করার অভিযোগ তুলেছে। তবে মাদুরো এসব অভিযোগ নাকচ করেছেন।
ভেনেজুয়েলার আকাশসীমায় উড়ার বিষয়েও বিমান সংস্থাগুলোকে মার্কিন ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) সতর্ক করেছে। ইতোমধ্যে তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করেছে।
‘কার্টেল দে লস সোলেস’কে যুক্তরাষ্ট্র আগামীকাল বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করবে। এরপর ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে মাদুরোর সম্পদ ও ভেনেজুয়েলায় হামলারপথকে আরও সুগম করবে। তবে কূটনৈতিক সমাধানের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
একদিকে সামরিক প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। নৌবাহিনীর বৃহত্তম বিমানবাহী জাহাজ ‘জেরাল্ড এফ. ফোর্ড’ ১৬ নভেম্বর ক্যারিবীয় অঞ্চলে পৌঁছেছে। এ নৌজাহাজটি সাতটি যুদ্ধজাহাজ, একটি পারমাণবিক সাবমেরিন এবং এফ–৩৫ যুদ্ধবিমান নিয়ে অবস্থান করার বিষয়েও জানানো হয়েছে।
তবে কারাকাসের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান মার্কিন কর্মকর্তারা। এ আলোচনা নতুন মোড়ও নিতে পারে বলেও জানান তারা।
/ইউএমএইচ