গত কয়েকদিন ধরেই থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া হামলা পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। যা থামার কোনও লক্ষণই এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যে কম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী ‘ক্যাসিনো’ হাব নামে পরিচিত পোইপেতে বিমান থেকে বোমা হামলা চালিয়েছে থাইল্যান্ড। কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে একটি প্রধান স্থল সীমান্ত পারাপার কেন্দ্র পোইপেত শহর।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) এ হামলার ঘটনা ঘটে। কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১১টার দিকে পোইপেত পৌর এলাকায় বিমান থেকে দুটি বোমা নিক্ষেপ করে থাইল্যান্ডের সামরিক বাহিনী। পোইপেত দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বানতেয় মিঞ্চে প্রদেশে অবস্থিত। এতে টার্গেট করা হয়েছে ক্যাসিনো হাবকে। এই এলাকাটি সাধারণত থাই জুয়ারিদের পদচারণায় মুখরিত থাকে।
নতুন এ হামলার ব্যাপারে থাইল্যান্ড কোনও মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
সংঘাতে বাস্তুচ্যুত ৫ লাখেরও বেশি মানুষ : থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার চলমান সংঘাতের জেরে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটতে বাধ্য হয়েছেন দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এ দুই প্রতিবেশী দেশের ৫ লাখেরও বেশি মানুষ। দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি।
থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সুরাসান্ত কংসিরি রাজধানী ব্যাংককে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘কম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম-শহরগুলো থেকে ৪ লাখেরও বেশি মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে উঠেছেন। সেনা ও পুলিশবাহিনী এক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতা করছে। আমরা নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি।’
একই দিন কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যালি সোচিয়েতা জানান, দেশের ৫টি প্রদেশ থেকে মোট ১ লাখ ১ হাজার ২২৯ জন নাগরিককে নিরাপদ সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছে দেশটির পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
সূত্র : এএফপি
সময়ের আলো/এনএ