ঢাকায় পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি–২০২ (বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার) ইতোমধ্যে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশ করেছে। এর আগে, সকাল ১১টা ৪ মিনিটে সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে বিমানটি।
বিমানটি বুধবার লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ১৫ মিনিটে) ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
তারেক রহমানের সঙ্গে দেশে ফিরেছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
কিছুক্ষণের মধ্যেই তারেক রহমান জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে তথা পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় গণসংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে রওনা করবেন। সেখানে অপেক্ষায় থাকা নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন তিনি। এরপর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখান থেকে বিমানবন্দর সড়ক হয়ে কাকলীর মোড় হয়ে গুলশান–২ নম্বরে বাসভবনে চলে আসবেন।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ঢাকাবাসী। বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনাল এবং প্রধান ফটকে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে না পারে। বিমানবন্দর এলাকা ঘিরে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন আছেন। র্যাবের ডগ স্কোয়াড দিয়ে বিমানবন্দরের আশপাশসহ ভিভিআইপি এলাকার চূড়ান্ত তল্লাশি চলছে। এছাড়া, সেনাবাহিনীর বিশেষ টিমও নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
এদিকে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিমানবন্দর, পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকা ও গুলশানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপি স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় তৈরি করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ।
প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার জন্য এবং এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে বুধবার রাত থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা পূর্বাচল ৩০০ ফিট হাইওয়ে এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেছেন। পুরো এলাকাজুড়ে উৎসবের আবহ, আর সবার কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে একটাই স্লোগান- ‘লিডার আসছে’।
/ইউএমএইচ