রায়ের বাজার কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ে দাফন ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেছেন, রায়ের বাজার কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ে দাফন করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ১১৪ শহিদের মরদেহ উত্তোলন

2026-01-05T18:15:52+00:00
2026-01-05T18:15:52+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
জাতীয়
রায়ের বাজার কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ে দাফন ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৫ পিএম   (ভিজিট : ১২৩)
রায়ের বাজার কবরস্থান প্রাঙ্গণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অজ্ঞাতনামা শহিদদের মরদেহ পরিচয় শনাক্তকরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। ছবি : পিআইডি
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেছেন, রায়ের বাজার কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ে দাফন করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ১১৪ শহিদের মরদেহ উত্তোলন করা হয়। তাদের মধ্যে থেকে ময়নাতদন্ত এবং সংগৃহীত ডিএনএ নমুনার মাধ্যমে ৮ জন অজ্ঞাতনামা শহিদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।    

সোমবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার রায়ের বাজার কবরস্থান প্রাঙ্গণে সিআইডি আয়োজিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অজ্ঞাতনামা শহিদদের মরদেহ পরিচয় শনাক্তকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ফারুক ই আজম বীর প্রতীক বলেন, এ কঠিন ও সংবেদনশীল কাজটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হয়েছে। বিশিষ্ট ফরেনসিক বিজ্ঞানী ড. মরিস টিডবল-বিনজ বাংলাদেশে এসে সিআইডির ফরেনসিক, ডিএনএ ও মেডিক্যাল ফরেনসিক টিমসমূহকে দুই দিনব্যাপী কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। পরবর্তী সময়ে ইউএনএইচসিআর-এর সহায়তায় ড. লুইস ফন্ডিব্রিডারের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কার্যক্রম মিনেসোটা প্রোটোকল অনুসরণ করে সম্পন্ন হয়েছে। কবর থেকে মোট ১১৪টি মৃতদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের মতো সংবেদনশীল কাজ অত্যন্ত সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, যদিও এখনো কিছু শহিদের পরিচয় উদঘাটন বাকি রয়েছে, এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং সকল শহিদকে তাদের আপনজনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর।

উপদেষ্টা বলেন, এই শনাক্তকরণের ফলে শহিদদের পরিবারগুলো অন্ততপক্ষে জানতে পারছেন যে তাদের প্রিয়জনের ভাগ্যে কি ঘটেছে বা তারা ঠিক কোন স্থানে শায়িত আছেন। যা তাদের এবং জাতির জন্য এক বিরাট মানসিক শান্তির কারণ হবে। এ কার্যক্রম কেবল আইন, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন নয়, এটি নিখোঁজ শহিদদের পরিচয় নির্ধারণ, পরিবারগুলোর অনিশ্চয়তা দূরীকরণ এবং ভবিষ্যতের বিচারিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণেও সহায়ক হবে। 


পরে শনাক্তকৃত শহীদদের কবর তাদের নিকট আত্মীয়দের বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এছাড়া উপদেষ্টা শহিদদের স্মরণে কবরস্থানে স্থাপিত নামফলকের উদ্বোধন এবং মোনাজাত করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ সোহেল রানার মা। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সময়ের আলো/ এসকে/


  বিষয়:   রায়ের বাজার  কবরস্থান  অজ্ঞাত পরিচয়  দাফন  পরিচয় শনাক্ত 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: