ইউরিক অ্যাসিড বাড়ার ঝুঁকি যাদের বেশি

সময়ের আলো ডেস্ক

লাইফস্টাইল

ইউরিক অ্যাসিড হলো শরীরে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া এক ধরনের রাসায়নিক, যা প্রধানত খাদ্য ও শরীরের কোষ থেকে আসে। স্বাভাবিক মাত্রার

2026-01-13T14:36:51+00:00
2026-01-13T14:36:51+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
লাইফস্টাইল
ইউরিক অ্যাসিড বাড়ার ঝুঁকি যাদের বেশি
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৩৬ পিএম   (ভিজিট : ৫৫৭)
স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি ইউরিক অ্যাসিড থাকলে তা গাট, কিডনি স্টোন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। প্রতীকী ছবি
ইউরিক অ্যাসিড হলো শরীরে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া এক ধরনের রাসায়নিক, যা প্রধানত খাদ্য ও শরীরের কোষ থেকে আসে। স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি ইউরিক অ্যাসিড থাকলে তা গাট, কিডনি স্টোন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এর ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে।

যাদের ইউরিক অ্যাসিড বাড়ার ঝুঁকি বেশি

প্রোটিন ও পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া ব্যক্তিরা
লাল মাংস, কলিজা, গিলা, শুঁটকি, এবং কিছু ধরনের সামুদ্রিক মাছ বেশি খেলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি
কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে ইউরিক অ্যাসিড সঠিকভাবে বের হয় না এবং শরীরে জমা হতে থাকে।

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগী
এই ধরনের রোগ ইউরিক অ্যাসিডের স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণে বাধা দেয়।

ওজন বেশি বা স্থূলতা থাকা ব্যক্তিরা
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা থাকলে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি ও জমার প্রবণতা বেড়ে যায়।

নিয়মিত অ্যালকোহল পানকারীরা
বিশেষ করে বিয়ার ও মদ নিয়মিত খেলে ইউরিক অ্যাসিড দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

পারিবারিক ইতিহাস থাকা
পরিবারে গাউট বা উচ্চ ইউরিক অ্যাসিডের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে।

কম পানি পান করা
শরীরে পানিশূন্যতা হলে ইউরিক অ্যাসিড সহজে জমে যেতে পারে।


অনিয়মিত জীবনযাপন ও কম ব্যায়াম
শারীরিক কার্যকলাপ কম থাকলে ইউরিক অ্যাসিড জমার ঝুঁকি বাড়ে।

চর্বিযুক্ত খাবার ও প্রসেসড ফুডের বেশি ব্যবহার
ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া, চর্বিযুক্ত খাবার ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।

সতর্কতা ও লক্ষণ

জয়েন্টে হঠাৎ ব্যথা, ফোলা বা লালচে ভাব দেখা দিলে তা গাউটের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

প্রস্রাবে অসুবিধা বা ঘন/কালচে রঙের প্রস্রাব হলে কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে করণীয়

পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করা (প্রতিদিন ৮–১০ গ্লাস)।

পিউরিন সমৃদ্ধ খাবারের পরিমাণ কমানো।

নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা।

অ্যালকোহল ও চর্বিযুক্ত খাবার সীমিত করা।

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনে ওষুধ গ্রহণ।


/ইউএমএইচ


  বিষয়:   ইউরিক অ্যাসিড 


Loading...
Loading...
লাইফস্টাইল- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: