যে কারণে পরিবহন ও টেন্ডার সিন্ডিকেট ভাঙা যায়নি, জানালেন সড়ক উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান দাবি করেছেন,দেশে প্রচলিত আইনের কিছু শর্তের কারণে সড়ক পরিবহন খাতের টেন্ডার সিন্ডিকেট

2026-02-10T21:24:01+00:00
2026-02-10T21:24:01+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
জাতীয়
যে কারণে পরিবহন ও টেন্ডার সিন্ডিকেট ভাঙা যায়নি, জানালেন সড়ক উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৪ পিএম   (ভিজিট : ১৫২)
সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। ছবি : সংগৃহীত
সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান দাবি করেছেন, দেশে প্রচলিত আইনের কিছু শর্তের কারণে সড়ক পরিবহন খাতের টেন্ডার সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি)। এ সময় ‘এনার্জি ফর চেঞ্জ’ নামের একটি প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলসে অভিজ্ঞতার যে শর্ত দেওয়া আছে, সে কারণে একজন ঠিকাদার অনেক কাজ পাচ্ছেন। অন্যরা কাজ পাচ্ছেন না। তবে এই ব্যবস্থা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে নতুনরা ও যোগ্যরা সড়ক নির্মাণে যুক্ত হতে পারেন, সেজন্য বিধিমালা সংশোধন করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যখন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেই, তখন বলা হয়েছিল-বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে যাবে। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা তখনকার তুলনায় এখন ভালো হয়েছে। অনেক মন্ত্রণালয়ের বকেয়া কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি আমরা।’

সড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ন্ত্রণে স্ক্র‌্যাপিং নীতিমালা করা হচ্ছে বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আগে ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ডাম্পিং করা হতো। তবে তাতেও এটি নিয়ন্ত্রণ করা যেত না। এখন নতুন নীতমালা বাস্তবায়নের পর কোনো গাড়ি দুই-তিনবার একই অপরাধে আটক হলে, সেই ফিটনেসবিহীন গাড়ি স্ক্যাপিং করা হবে।’

সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করার সময় বাড়ানো হয়েয়ে বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে এক মাসের মধ্যে ক্ষতিপুরণ দাবি করতে হতো আগে। কিন্তু এখন ক্ষতিপূরণ দাবি করার সময়টি বৃদ্ধি করে তিন মাস করা হয়েছে। কারণ, কারও মৃত্যুর পর একমাস শোকের মধ্যেই চলে যায় পরিবারের সদস্যদের। স্বল্প সময়েল মধ্যে তারা অনেক সময় ক্ষতিপূরণ দাবি করার মতো মানসিক অবস্থায় থাকেন না।’

রেলের উন্নয়নের অন্যতম সমস্যা হিসেবে লোকোমোটিভ সঙ্কটের কথা উল্লেখ করেছেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, অর্ডার দেওয়ার পর একটা লোকোমটিভ পেতে দুই বছর সময় লাগে। বিনামূল্যে ২০টি ইঞ্জিন দেওয়ার জন্য আমরা চীন সরকরেকে অনুরোধ করেছি। ভারতীয় কোম্পানি থেকে রেলের কোচ নেওয়ার বিষয়ে চুক্তিও হয়েছে।

রেলের লোকসান কমানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগে একটাকা আয় করতে আড়াই টাকা ব্যয় হতো। সেই ব্যয় কমিয়ে এক টাকা ৮৪ পয়সায় নামিয়ে এনেছি আমরা। তবে সময় ও অর্থায়নের অভাবে পার্বতীপুর ও সৈয়দপুরে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহত্তম রেল ওয়ার্কসপকে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। তবে ডিপিপি করা হয়েছে। নির্বাচনের পর যে সরকার আসবে, তারা পরবর্তী কাজ এগিয়ে নেবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন উপদেষ্টা।

/এমএইচআর


  বিষয়:   সড়ক উপদেষ্টা  পরিবহন  টেন্ডার সিন্ডিকেট 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: