নতুন প্যাঁচে বাংলাদেশ

এসএম আলমগীর

জাতীয়

মার্কিন শুল্ক নীতির বারবার পরিবর্তনের কারণে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। গত বছর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৫৭টি দেশের পণ্যে পাল্টা

2026-02-22T02:23:54+00:00
2026-02-22T02:23:54+00:00
 
  সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬,
৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
নতুন প্যাঁচে বাংলাদেশ
এসএম আলমগীর
প্রকাশ: রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:২৩ এএম 
প্রতীকী ছবি
মার্কিন শুল্ক নীতির বারবার পরিবর্তনের কারণে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। গত বছর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৫৭টি দেশের পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যা পরে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করে। এরপরই ১০ শতাংশ নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়েছে। ১৯ শতাংশ শুল্কের পূর্ব চুক্তি বাতিল হওয়ায় বাংলাদেশ এখনও সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত, ফলে মার্কিন বাজারে রফতানিকারকরা তাদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ঠিকমতো সাজাতে পারছেন না। 

রফতানিকারকরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, শুল্ক বেড়ে গেলে মার্কিন ক্রেতারা পণ্য ক্রয় কমিয়ে দিতে পারেন, যা দেশের পোশাক রফতানিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। দেশটির সরকারের সঙ্গে করা পূর্ব চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা, শুল্ক হার ও ভবিষ্যতের অস্থিরতার কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন বাজার ও বিকল্প কৌশল খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি বাংলাদেশের রফতানি খাতকে নতুনভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 

রফতানিকারকরা বলছেন, ১৯ শতাংশ শুল্ক ছাড়ে চুক্তি করে মার্কিন সরকার ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে অনেক সুুবিধা নিয়েছে। বিশেষ করে দেশটি থেকে ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার টন গম আমদানি করা হয়েছে, তুলা আমদানি করা হয়েছে, বোয়িং ক্রয়ের চুক্তি করা হয়েছে- এ রকম অনেক বিষয় চূড়ান্ত হয়েছিল মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে। পূর্বেকার ১৯ শতাংশ শুল্ক বাতিল হওয়ায় ওই চুক্তিরই বা কী হবে। দেশটি যে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ দেশ থেকে অনেক সুবিধা নিয়েছে- তারই বা কী হবে। 

এসব প্রশ্ন উত্থাপন করে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম সময়ের আলোকে বলেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মার্কিন সরকারের সঙ্গে যে চুক্তি করল বাংলাদেশ সেটি তো অনিশ্চয়তায় পড়ে গেল। তারা তো শুল্কের মুলা ঝুলিয়ে আমাদের কাছ থেকে অনেক সুবিধা নিয়েছে ইতিমধ্যেই, অর্থাৎ তারা তো অনেক কিছু আদায় করে নিল, কিন্তু আমরা তো এখনও কিছুই পেলাম না। চুক্তি যে নেই, তারা যে আদায় করে নিল- সেগুলোর কী হবে। এগুলো পুনরায় বিবেচনা করা দরকার। দেশটির সরকারের সঙ্গে আমাদের নতুন সরকারের পুনরায় আলোচনায় বসা দরকার। তা না হলে আমরা কম পেলাম, না তাদের বেশি দিলাম- বিষয়গুলো তো পরিষ্কার হওয়া দরকার।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট নতুন করে যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন তাদের আমাদের কোনো লাভ নেই। তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবো ভিন্নভাবে। শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় দেশটির সাধারণ ক্রেতারা পণ্য ক্রয় কমিয়ে দেবে। এর ফলে মার্কিন বাজারে আমাদের পোশাক রফতানি কমে যাবে। 

আরও পড়ুন

অবশ্য বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলছেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট নতুন করে যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন তা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সব দেশের জন্যই প্রযোজ্য হবে। তাই এতে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সুযোগ নেই। তবে এখন দেখার বিষয় হচ্ছে- ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্ক বৃদ্ধির যে ঘোষণা দিয়ছেন সেটি কি কোনো ডিক্রির মাধ্যমে চূড়ান্ত করবেন, নাকি কংগ্রেসের আলোচনার মাধ্যমে পাস করবেন। বিষয়টি আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি হয়তো চূড়ান্তভাবে জানা যাবে। আমরা এখন সে পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। তারা কি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন সেটি দেখেই আমরা আমাদের করণীয় ঠিক করব। 

বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল সময়ের আলোকে বলেন, বারবার ট্যারিফে পরিবর্তন করা হলে আমাদের জন্য বিড়ম্বনা তো বটেই। আমরা ক্রেতারা কেউ ঠিকমতো পরিকল্পনা করতে পারছি না। এতে রফতানি বাণিজ্যে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বারবার চেঞ্জের কারণে আমরা উদ্বিগ্ন। সবচেয়ে বড় কথা, দেশটিতে ঘন ঘন শুল্ক পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারকদের মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। কখন শুল্ক হার কত হবে- তা নিশ্চিত না হওয়ায় আমদানিকারকরা বড় ধরনের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তবে খুচরা বিক্রেতারা তাদের পণ্য সরবরাহ বজায় রাখতে অল্প পরিমাণে হলেও আমদানি অব্যাহত রাখবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই অনিশ্চয়তায় রফতানি কমতে পারে। 

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক হার ঘোষণায় কী বলা হয়েছে : গত বছরের ২ এপ্রিল বিশ্বের ১৫৭টি দেশের পণ্যে বিভিন্ন হারে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পাল্টা শুল্ক আরোপ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেছিলেন, এত দিন বিশ্বের অন্যান্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে ছিঁড়েখুঁড়ে খেয়েছে। এই শুল্কের মধ্য দিয়ে তার অবসান হলো। উচ্ছ্বসিত হয়ে তিনি এদিনকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে আখ্যা দেন। কিন্তু সেই পাল্টা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। যদিও ট্রাম্প দমে যাওয়ার লোক নন, তিনি ভিন্ন আইনের প্রয়োগ করে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছেন। 

এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববাণিজ্য ব্যবস্থায় আরও অনিশ্চয়তা তৈরি হলো বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও বাংলাদেশ যে ১৯ শতাংশ শুল্কের চুক্তি করেছিল, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে গেলে বৈশ্বিক ১০ শতাংশ শুল্কের আওতায় পড়বে বাংলাদেশ, পুরো বিষয়টির মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা আছে। শুল্কহারের চেয়ে নীতিগত নিশ্চয়তা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এই নিশ্চয়তা না থাকলে ক্রেতারা পণ্য কেনা বৃদ্ধিতে উৎসাহী হবেন না। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে বিকল্প পথ খুঁজতে হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তাদের মত, নতুন নতুন বাজারের সন্ধান করতে হবে; বাড়াতে হবে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা।

কী এই পাল্টা শুল্ক : বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অনেক দেশের রফতানির মূল গন্তব্য। ভিয়েতনামের মতো অনেক দেশ রফতানিনির্ভর প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রে যত পণ্য রফতানি করে যুক্তরাষ্ট্রে এসব দেশে তত পরিমাণ পণ্য রফতানি করে না। ফলে এসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি বিপুল। 

ট্রাম্প এ বিষয়কে ক্ষতিকর বলে মনে করেন। এ কারণে যেসব দেশ মার্কিন পণ্যে যত পরিমাণ শুল্ক আরোপ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের পণ্যে তার ভিত্তিতে পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। সেই সঙ্গে আগের নিয়মিত শুল্ক তো ছিলই। এই প্রেরণার ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল ট্রাম্প পাল্টা শুল্ক আরোপ করেন। যদিও পরবর্তীকালে তার সংশোধন হয়। আলোচনার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পৃথক বাণিজ্য চুক্তি হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক দিন আগে বাংলাদেশের সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি হয়। 

কথা ছিল, যে দেশ মার্কিন পণ্যে যত শুল্ক আরোপ করে, সেই দেশের পণ্যে ঠিক ততটাই শুল্ক আরোপ করা হবে। ২ এপ্রিলের ঘোষণায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তা করতে পারতাম; কিন্তু তাতে অনেক দেশ কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়বে।’ চীনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, চীন মুদ্রা কারসাজিসহ বাণিজ্য বাধা সব মিলিয়ে মার্কিন পণ্যে ৬৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে; যুক্তরাষ্ট্র করবে তার প্রায় অর্ধেক অর্থাৎ ৩৪ শতাংশ। সব দেশের বেলায় কম-বেশি এই নীতি অবলম্বন করা হয়েছে। ফলে এ ঘটনায় বিপর্যস্ত হওয়ার কিছু নেই বলে মনে করেন ট্রাম্প। তখন সব দেশের পণ্যে গড়ে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। 

ট্রাম্পের আদায় করা শুল্কের ১৩৩ বিলিয়ন ডলার কি ফেরত দেওয়া হবে : এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা জরুরি শুল্কব্যবস্থা বাতিল করা হলেও আগের চুক্তি অনুযায়ী আমদানি কর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ইতিমধ্যে যে ১৩৩ বিলিয়ন ডলার আদায় করেছে; সেই অর্থের কী হবে এখন? সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর যেসব কোম্পানি শুল্কের খরচ ভোক্তাদের ওপর চাপিয়ে বাড়তি দাম নিয়েছেন; তারা ফেরতের আশা করলেও সেটির সম্ভাবনা ক্ষীণ। যদিও ট্রাম্প শিবির আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে আদায় করা শুল্ক ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু প্রশাসন বা সুপ্রিম কোর্ট কেউই বলেনি, প্রক্রিয়াটি কীভাবে চলবে। 

বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তির ভবিষ্যৎ কী : মার্কিন প্রেসিডেন্টের বহুল আলোচিত ‌‘ইউনিভার্সাল বেসলাইন ট্যারিফ’ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের পরিপন্থী এবং আইনিভাবে অবৈধ বলে ঘোষণা দেওয়ায় অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের জন্যও বড় মাথা ব্যথার কারণ ট্রাম্পের এই শুল্কনীতি। 

শুল্ক নিয়ে চলমান বৈশ্বিক অস্থিরতায় ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এমন প্রশ্ন যেমন রয়েছে, তেমনই বাংলাদেশের সঙ্গে হওয়া চুক্তির কী হবে, শুল্ক বাতিল হলেও অন্য শর্তগুলো বহাল থাকবে কি না- এমন নানা প্রশ্ন সামনে আসছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে ক্ষমতায় বসার পর থেকেই মার্কিন পাল্টা শুল্ক নিয়ে টালমাটাল গোটা বিশ্ব। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের কয়েক হাজার কোটি টাকার ভাগ্যের চাবিকাঠিও এখানে। 

নানা আলোচনা আর দরকষাকষির পর কয়েক দিন আগেই শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। অবশ্য এ নিয়ে দেশের অর্থনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ীসহ খাত সংশ্লিষ্টদের নানা সমালোচনা রয়েছে। যদিও চুক্তি স্বাক্ষর ঘিরে বছরজুড়ে যে অস্থিরতা চলছিল, সেটি দূর করে সম্প্রতি নতুন কৌশল নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। 

কিন্তু মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের মাধ্যমে আবারও এক নতুন মোড় নিয়েছে পুরো বিষয়টি। বাংলাদেশ কি এই রায়ে লাভবান হবে, নাকি ট্রাম্পের ‘প্ল্যান বি’ আমাদের আরও বড় সংকটে ফেলবে; এমন প্রশ্ন নতুন করে সামনে আনছেন অনেকে। আদালতের রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অন্য আইনে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে বাংলাদেশের ১৯ শতাংশ শুল্ক কমে ১০ শতাংশ হচ্ছে। এটিকে আপাতদৃষ্টিতে ভালো মনে হলেও ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের। তারা বলছেন, দেশটির যে আইনে ট্রাম্প নতুন শুল্কের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেখানে আপাতত শুল্ক কমার বিষয়টি ছাড়া বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে তেমন স্বস্তির বার্তা নেই। 

অবশ্য দেশের শিল্প-কারখানাগুলোর কাজের পরিবেশ, পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স ঠিক রাখাসহ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি যদি ভালো থাকে তা হলে প্রেক্ষাপট ভিন্ন হতে পারে। কারণ দেশটির ট্রেড অ্যাক্ট ১৯৭৪-এর ধারা ১২২ ব্যবহার করে ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের যে নতুন সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিয়েছেন; সেটি একটি দেশের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ যাচাই করে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 

কী করবে বাংলাদেশ : বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র। যদিও দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের বড় বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। দুই দেশের ৮০০ কোটি ডলারের বাণিজ্যে বাংলাদেশের রফতানি বেশি, আমদানি কম। পাল্টা শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে বাণিজ্য ঘাটতির এই বিষয়টিকে বড় করে সামনে এনেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে বাংলাদেশও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিমান, কৃষিপণ্যসহ নানা পণ্য আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। অবশ্য অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের আগ মুহূর্তে যে চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হয়েছে সেটি নিয়ে খুশি হতে পারেননি বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ কিংবা ব্যবসায়ীদের কেউই। তাদের মতে, ওই চুক্তিতে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের চেয়ে আমেরিকা বেশি লাভবান হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ কী করতে পারবে, কী পারবে না এই বিষয়গুলোই চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সময়ের আলো/এনএ 


  বিষয়:   নতুন প্যাঁচে  বাংলাদেশ 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: