দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) প্রক্রিয়ার প্রতি বাংলাদেশের অটল সমর্থন এবং দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের জন্য সদস্য দেশগুলির সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সারওয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসলে প্রতিমন্ত্রী এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। এই সময়ে উভয়েই সার্ক বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বার্তায় জানিয়েছে, সার্কের মহাসচিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কথা স্মরণ করেন।
মূলত দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের জনগণের কল্যাণ, জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং সম্মিলিত স্বনির্ভরতা জোরদার করার জন্যই সার্ক প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন এবং ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে, বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গতিশীলতার মধ্যে সার্কের প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলির মূল্যবান অবদানকে স্বীকৃতি দেয়।
প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘সার্ক অভিন্ন আঞ্চলিক মূল্যবোধকে লালন করে চলেছে এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সংযোগ, দারিদ্র্য বিমোচন, বিদ্যুৎ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করে চলেছে।’
এই সময়ে প্রতিমন্ত্রী সার্কের প্রক্রিয়াগুলিকে শক্তিশালী করতে এবং এর প্রক্রিয়াগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার উপর জোর দেন। সার্ক সনদে অন্তর্ভুক্ত নীতিগুলির প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলির জনগণের পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করা।
সময়ের আলো/কেএইচও