স্বেচ্ছায় বিদায় নিতে চান রাষ্ট্রপতি

রফিকুল ইসলাম সবুজ

জাতীয়

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এখন আলোচনা শুরু হয়েছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কবে বিদায় নেবেন এবং কোন প্রক্রিয়ায় তাকে বিদায় করা

2026-02-23T23:26:50+00:00
2026-02-23T23:26:50+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
স্বেচ্ছায় বিদায় নিতে চান রাষ্ট্রপতি
রফিকুল ইসলাম সবুজ
প্রকাশ: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৬ পিএম 
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ফাইল ছবি
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এখন আলোচনা শুরু হয়েছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কবে বিদায় নেবেন এবং কোন প্রক্রিয়ায় তাকে বিদায় করা হবে তা নিয়ে। কারণ ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দায়িত্ব গ্রহণ করা রাষ্ট্রপতির মেয়াদ এখনও দুই বছরের বেশি সময় বাকি রয়েছে। ফলে তাকে বিদায় দেওয়ার সম্ভাব্য প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে নতুন সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেহেতু তিনি নিজেই পদত্যাগ করে সরে যেতে চাইছেন তাই তাকে সংসদের মাধ্যমে অপসারণ করার কোনো প্রয়োজন হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর সুবিধামতো সময়ে স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করার সুযোগ তৈরি হবে। স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতি তার কাছে পদত্যাগপত্র দিয়ে বিদায় নিলে স্পিকার তখন সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অস্থায়ী দায়িত্ব পালন করবেন। সাংবিধানিক সংকট এড়াতে এ সময়ের অপেক্ষায়ই ছিল বিএনপিসহ ৫ আগস্টের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের বিরুদ্ধে থাকা রাজনৈতিক দলগুলো।

আগামী ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। ওইদিন বেলা ১১টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অধিবেশন আহ্বান করেছেন বলে সোমবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা থেকে জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনের শুরুতেই নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে বিদায়ি স্পিকার বা তার অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার সভাপতি হিসেবে সংসদ পরিচালনা করে নতুন স্পিকার নির্বাচন সম্পন্ন করেন। তবে এবার স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে কে সভাপতিত্ব করবেন তা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলেও এর সমাধান জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতেই রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। 

বিধি অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অবর্তমানে নির্বাচিত ২৯৬ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে প্রবীণ যেকোনো একজন সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন। তার সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হবে এবং তিনিই স্পিকার নির্বাচনের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। অধিবেশন শুরুর পর প্রথম স্পিকার নির্বাচন হওয়ার পরপরই সংসদ কিছু সময়ের জন্য মুলতবি করা হবে। স্পিকার রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেওয়ার পর তার সভাপতিত্বে আবার সংসদের অধিবেশন শুরু হবে। নির্বাচিত স্পিকার তখন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন পরিচালনা করবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সংসদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মনোনয়ন দেবেন। ফলে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব কে করবেন তা নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি হওয়ার সুযোগ নেই।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করে আত্মগোপনে রয়েছেন। আর ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু হত্যা মামলায় জেলে রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাতে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু রাজি ছিলেন না। তাই আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য সংবিধানে উল্লেখিত কাউকে পাওয়া যাবে না বলেই ধরে নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সে ক্ষেত্রে সংসদকে কার্যপ্রণালি বিধির আশ্রয় নিতে হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের সদ্য অবসরে যাওয়া পরিচালক কামরুল ইসলাম। 

সময়ের আলোকে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ পরিচালনায় সব ক্ষেত্রেই কার্যপ্রণালি বিধি অনুসরণ করা হয়ে থাকে। কার্যপ্রণালি বিধির তৃতীয় অধ্যায়ের ১২ নম্বর বিধির ‘সভাপতিমণ্ডলী ও অস্থায়ী সভাপতি’ শিরোনামের ২ উপবিধিতে বলা আছে, ‘যদি কোনো সময় সংসদের কোনো বৈঠকে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার বা সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে কেইই উপস্থিত না থাকেন, তাহা হইলে সচিব তাহা সংসদকে জানাইবেন এবং সংসদ একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে সভাপতিত্ব করিবার জন্য নির্বাচিত করিবেন।’ সংসদ সচিবালয়ের সাবেক পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, বিদায়ি সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে একজন এই উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন। তার সভাপতিত্বে স্পিকার নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরপরই সংসদ মুলতবি করা হবে। এ সময় স্পিকার রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেওয়ার পর তার সভাপতিত্বে আবার সংসদের অধিবেশন শুরু হবে।

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ানোর জন্য ওইদিন রাষ্ট্রপতি সংসদ ভবনে তার কার্যালয়ে অপেক্ষা করেন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো এমপি লিখিতভাবে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নাম প্রস্তাব করবেন এবং অন্য একজন এমপি তাতে সমর্থন দেওয়ার পর স্পিকার ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটে দেবেন।

নতুন স্পিকার পদে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া ড. আবদুল মঈন খানের নাম আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি বরিশাল-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুকের নামও আলোচনায় রয়েছে। ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় রয়েছেন ভোলা-১ আসনের বিজেপির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, নোয়াখালী-১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজানের নাম। আর চিফ হুইপ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের নাম।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, ১২ মার্চ শুরু হতে যাওয়া সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তার বর্ষশুরুর ভাষণ দিয়ে থাকেন। এর ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনাও হয়ে থাকে। তবে এবার রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন কি না এখনও নিশ্চিত নয়। 

এই অধিবেশনের প্রথমদিকে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি জারি করা অধ্যাদেশগুলো সংসদে উত্থাপন করা হবে অনুমোদনের জন্য। এ ছাড়া চিফ হুইপ ও হুইপ নিয়োগ, বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্পিকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদগুলোর স্বীকৃতি দিয়ে সংসদকে অবহিত করবেন। এ ছাড়া চলতি অধিবেশনে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের নির্বাচন এবং রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে বা অপসারিত হলে পরিস্থিতিসাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও হতে পারে।

সংবিধানের ৫০ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। অভিশংসন বা শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতার কারণেও তিনি অপসারিত হতে পারেন। সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠের নোটিসে স্পিকারের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা যায়। এ ছাড়া শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যরে কারণেও সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে তাকে অপসারণ করা সম্ভব। রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে বা অপসারিত হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের বিধান রয়েছে।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। পরে ওই বছরের ২৪ এপ্রিল তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করে দায়িত্ব নেন। সেই হিসেবে বর্তমান রাষ্ট্র্রপতির মেয়াদ এখনও দুই বছরেরও বেশি সময় রয়েছে। তিনি পদত্যাগ না করলে বা তাকে সংসদ অপসারণ না করলে এই পদ শূন্য হবে না। তবে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি নিজেই পদত্যাগ করে সরে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন শুরু হলেও সাংবিধানিক সংকট এড়াতে বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই তার পদত্যাগের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় তিনি তখন পদত্যাগ করেননি।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় সংসদের অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রে পদত্যাগ করার সুযোগ পাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে তাকে পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। এতে তিনি সম্মত না হলে সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের নোটিসে তাকে অভিশংসন করার সুযোগও রয়েছে তাদের হাতে। রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা বর্তমান সংসদে বিএনপির রয়েছে।

তবে রাষ্ট্রপতি নিজেই পদত্যাগ করবেন বলে ইতিমধ্যে জানিয়েছেন। গত ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংসদ নির্বাচনের পর তার মেয়াদ পূর্ণ না হলেও পদত্যাগ করার কথা জানিয়েছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকার তার সঙ্গে যথাযথ আচরণ করছে না, এমন অভিযোগ তুলে তিনি তার এই মনোভাবের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি পদত্যাগ করতে অত্যন্ত আগ্রহী। আমি ক্ষমতা ছাড়তে আগ্রহী। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমার দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হওয়ায় আমি আমার অবস্থান ধরে রাখছি।’

এদিকে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার আগেই নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিএনপির সিনিয়র তিন নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খোন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ড. মঈন খান এই তিনজনের মধ্য থেকে কেউ এ পদে উঠে আসতে পারেন বলে অনেকেই ধারণা করছেন।

এদিকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর থেকে সংসদ অধিবেশনের প্রস্তুতি শুরু করেছে সংসদ সচিবালয়। সংসদ ভবনের ভেতর ও বাইরে পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রয়োজনীয় সংস্কার ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতির কাজ শেষ হয়েছে। অধিবেশনের জন্য অধিবেশন কক্ষ ও সেখানকার সাউন্ড সিস্টেম প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রটোকল, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সচিবালয়ের বিভিন্ন দফতর ও শাখা প্রস্তুত করা হচ্ছে। সংসদের প্লেনারি হলসহ অন্যসব অফিস সংস্কার করে অধিবেশনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঈদের আগে অধিবেশন শুরু হলেও একটা বিরতি দিয়ে এই অধিবেশন এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। জাতীয় সংসদ সচিব কানিজ মওলা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের অধিবেশনের জন্য সংসদ সচিবালয় প্রস্তুত রয়েছে। অধিবেশনের প্রস্তুতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, তথ্য অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে বৈঠকও করা হয়েছে।


  বিষয়:   রাষ্ট্রপতি  সাহাবুদ্দিন  বিদায় 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: