‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশে সংবিধান পরিপন্থি বিধান রাখা হয়নি’

সময়ের আলো ডেস্ক

ওয়েব স্টোরি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে সংবিধানের পরিপন্থী কোনো বিধান রাখা হয়নি বলে জানিয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

2026-03-13T11:20:40+00:00
2026-03-13T11:20:40+00:00
 
  শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬,
৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
ওয়েব স্টোরি
‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশে সংবিধান পরিপন্থি বিধান রাখা হয়নি’
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১১:২০ এএম 
সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। সংগৃহীত ছবি
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে সংবিধানের পরিপন্থী কোনো বিধান রাখা হয়নি বলে জানিয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, এসব অধ্যাদেশকে কার্যকর রাখতে হলে নতুন জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যেই সেগুলো গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে এগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে অর্থহীন হয়ে পড়বে। 

বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়টা ছিল যেন এক অজানা রোলার কোস্টারে চড়ে বসার মতো—যেখানে উত্তেজনা, রোমাঞ্চ ও আনন্দের পাশাপাশি অনিশ্চয়তাও ছিল। তবে সেই পরিস্থিতির মধ্যেও তাদের সামনে কয়েকটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য ছিল এবং তারা সেই লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করেছেন।

তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান তিনটি লক্ষ্য ছিল—বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন। নতুন সংসদের অধিবেশন সামনে রেখে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সংস্কার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। তিনি বলেন, তাদের সময়ে এসব সংস্কার মূলত অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কিন্তু সংসদ যদি প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে এগুলো অনুমোদন না দেয়, তাহলে এসব অধ্যাদেশ অকার্যকর হয়ে যাবে। 

তিনি আরও বলেন, এসব অধ্যাদেশকে সংসদের মাধ্যমে আইনে পরিণত করা সরকারের জন্য কঠিন হওয়ার কথা নয়। কারণ এগুলোর মাধ্যমে সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করা হয়নি এবং এতে সংবিধানবিরোধী কোনো বিধানও রাখা হয়নি। তবে তিনি মনে করেন, অধ্যাদেশের মাধ্যমে করা এসব সংস্কারের গুরুত্ব সাংবিধানিক সংস্কারের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। 

তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৪টি ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত। বাকি ১১৯টি অধ্যাদেশের প্রায় সবই ছিল সংস্কারমূলক। এই ১১৯টির মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ৩৮টি অধ্যাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রণয়ন করা হয়েছিল। 

আইন উপদেষ্টা হিসেবে তিনি এসব আইন প্রণয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন বলে উল্লেখ করে বলেন, তিনি এর সুফল সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে বলতে পারেন। 

তিনি আরও জানান, এসব অধ্যাদেশ প্রণয়নের ক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি রাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ আইন কর্মকর্তারাও যুক্ত ছিলেন। অনেক ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাপক পরামর্শ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এসব অধ্যাদেশের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোগান্তি কমানো এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। ইতোমধ্যে এর কিছু পরিমাপযোগ্য সুফলও দেখা গেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, লিগ্যাল এইড সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার পর আদালতের বাইরে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির হার অন্তত তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া দেওয়ানি কার্যবিধির সংস্কারের ফলে দেওয়ানি মামলার নিষ্পত্তি তুলনামূলক কম সময়ে করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধনের ফলে গ্রেফতার ও বিচার প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের অধিকার আরও সুরক্ষিত হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন আইনের সংশোধনের কারণে জমি নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় মানুষের ভোগান্তিও কমেছে।

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আইন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন করা হয়েছে। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। এর মাধ্যমে বিচারকদের নতুন পদ সৃষ্টি, বিচার বিভাগের উন্নয়ন এবং বাজেট ব্যবস্থাপনার ক্ষমতা প্রধান বিচারপতির নিয়ন্ত্রণাধীন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।

তিনি জানান, সচিবালয় পুরোপুরি কার্যকর হলে নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদোন্নতি এবং শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থার ক্ষমতাও সুপ্রিম কোর্টের কাছে ন্যস্ত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের মাধ্যমে যোগ্যতা ও দক্ষতা যাচাই করে উচ্চ আদালতে ৪৭ জন বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি মনে করেন, সংসদ যদি এসব অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করে, তাহলে তা ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নতুন কিছু বিশেষায়িত আদালতও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলে তিনি জানান। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশের মাধ্যমে ধর্ষণসহ অন্যান্য অপরাধের দ্রুত ও সঠিক বিচারের বিধান করা হয়েছে। পাশাপাশি শিশু ধর্ষণ মামলার বিচারের জন্য স্বতন্ত্র আদালত প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাণিজ্যিক বিরোধ দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে নিষ্পত্তির জন্য পৃথক বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গুম প্রতিরোধ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশও প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব আইন তৈরির সময় দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠন এবং আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশের কথা। এটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে প্রণয়ন করা হয়েছিল। এ অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন, তাদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে এই অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।

এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার অধ্যাদেশও নতুন সংসদ গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশের মাধ্যমে কমিশনের স্বাধীনতা, ক্ষমতা এবং জবাবদিহি বৃদ্ধি করা হয়েছে। বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই খাতে হয়রানি কমানো এবং সক্ষমতা বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন অধ্যাদেশের মাধ্যমে জনপ্রশাসন সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংক রেজ্যুলেশন অধ্যাদেশের মাধ্যমে তফসিলি ব্যাংকগুলোর আর্থিক সংকট মোকাবিলার ব্যবস্থা করা হয়েছে।


তিনি বলেন, জনকল্যাণমূলক অনেক অধ্যাদেশও প্রণয়ন করা হয়েছে। যেমন মানবপাচার অধ্যাদেশে অভিবাসীদের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিমান ভাড়ায় কারসাজি রোধে শক্তিশালী আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। পরিত্যক্ত বাড়ি সংক্রান্ত অধ্যাদেশে হস্তান্তরগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট সংশোধনের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন সংক্রান্ত অধ্যাদেশে অঙ্গ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়াকে সহজ ও জবাবদিহিমূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অর্থ অধ্যাদেশ এবং অর্থসংক্রান্ত বিভিন্ন আইন সংশোধনের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর, সম্পূরক শুল্ক এবং কাস্টমস আইনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংশোধনের মাধ্যমে সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও মানসম্পন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ করা হয়েছে বলে তিনি জানান। বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশে সংরক্ষিত এলাকা এবং গণপরিসরে বৃক্ষ সংরক্ষণ জোরদার করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশে এসব পরিবেশগত ব্যবস্থাকে রক্ষার জন্য কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, উপাত্ত সংগ্রহ, স্থানিক পরিকল্পনা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ এবং মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ সম্পর্কেও বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এসব অধ্যাদেশ গ্রহণ না করার মতো শক্ত বা যৌক্তিক কোনো কারণ নেই। তবে প্রয়োজন হলে সরকার এগুলোতে কিছু পরিবর্তন আনতে পারে। তবে সেই পরিবর্তনের লক্ষ্য হওয়া উচিত আইনগুলোকে আরও বেশি জনস্বার্থমূলক করে তোলা।

তবে তিনি স্বীকার করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু সংস্কার উদ্যোগ ছিল উচ্চাভিলাষী। কারণ সেগুলোর সঙ্গে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয় জড়িত ছিল এবং সেগুলো বাস্তবায়নের এখতিয়ার তাদের সরকারের ছিল না। তাই জুলাই সনদ ও জুলাই আদেশের মাধ্যমে নির্বাচিত সংসদের হাতে এসব বাস্তবায়নের সুযোগ রেখে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই আদেশের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে কিছু মানুষের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। তবে তারা “ডকট্রিন অব নেসেসিটি” এবং “ডকট্রিন অব উইল অব দ্য পিপল” বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন ছিলেন। অতীতে এমন উদাহরণ রয়েছে যেখানে নির্বাচিত সংসদ পরবর্তীতে বৈধতা দিয়ে সংবিধান সংশোধন করেছে। এসব বিবেচনায় বর্তমান সরকারের পক্ষে সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করা সম্ভব।

সবশেষে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধান সংস্কারের যে প্রস্তাব তৈরি করেছিল, তা নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখা বা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে নয়। বরং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করে একটি জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তা করা হয়েছিল।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল অতীতে যেমন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও সংসদীয় সরকারব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংস্কার করেছিল, তেমনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। 


/ইউএমএইচ



  বিষয়:   আসিফ নজরুল  অন্তর্বর্তী সরকার  অধ্যাদেশ  সংবিধান 


Loading...
Loading...
ওয়েব স্টোরি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: