সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২৯০ রানে থামল বাংলাদেশ। ৪৯তম ওভারে ৫ আর ৫০ ওভারে ৮—শেষ দুই ওভারে মাত্র ১৩ রান তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ।
তাতে তিন শর মাইলফলক ছোঁয়া হয়নি। ৫০ ওভার শেষে বাংলাদেশ করতে পেরেছে ৫ উইকেটে ২৯০। হৃদয় ৪৪ বলে ৪৮ আর আফিফ ৮ বলে ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।
১০৭ বরে ১০৭ রানের চমৎকার ইনিংসে দলকে আরও বড় সংগ্রহের ভিত দিয়েছিলেন তানজিদ হাসান। কিন্তু শেষে দ্রত রান করতে পারেননি লিটন দাস, হৃদয়রা।
আগে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই আসে ১০৫ রান। ইনিংসের ১৯তম ওভারে শাহীন আফ্রিদিকে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে বলের লাইন মিস করে বোল্ড হন সাইফ। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৫৫ বলে ৩৬ রান।
দুর্দান্ত শুরুর পর সাইফের মতো ইনিংস বড় করতে পারলেন না নাজমুল হোসেন শান্ত। হারিস রউফের করা বলে আউট হওয়ার আগে করেন ২৭ রান।
এদিকে অভিষেক সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। মাত্র ৪৭ বলে ফিফটি করেছিলেন তিনি। পরের ফিফটি করতে খেলেছেন ৪৯ বল। সবমিলিয়ে ৯৮ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন।
চতুর্থ উইকেটে দারুণ জুটি উপহার দেন লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয়। এ সময় দুজন মিলে তোলেন ৬৮ রান। তাতেই বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায় দল। হারিস রউফের বলে আউট হওয়ার আগে ৪১ রান করেন লিটন দাস। আর পরের উইকেটে নেমে রানের দেখা পাননি রিশাদ হোসেন। প্রথম বলেই বোল্ড হন তিনি।
সময়ের আলো/এআর