পরিবারের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে নোয়াখালী যাবেন আব্দুর রহমান সৌরভ ও তার ছোট ভাই। তাই অফিস করে কল্যাণপুর বাস কাউন্টারে আসেন টিকেট কাটতে। কিন্তু ৬ থেকে ৭ সাতটি কাউন্টার ঘুরে কোথাও টিকেট মেলাতে পারেননি তিনি।
পরে শ্যামলী পরিবহনের একটি এসি বাসের টিকেট মিললেও ভাড়া একদাম ১২০০ টাকা। সচরাচর ৫০০ টাকা ভাড়া দিয়ে বাড়ি ফেরা সৌরভের কাছে ১২০০ টাকা আকাশছোঁয়া ভাড়ার সমান। তাই কিছুটা কম রাখতে অনেক অনুরোধ করেন তিনি। কিন্তু কাউন্টার মাস্টারের বারবার একই কথা কম রাখার সুযোগ নেই। সব সিস্টেম এখন সফটওয়ারে।
সৌরভের অনেক অনুরোধের পরে অবশ্য কাউন্টার মাস্টার চট্টগ্রামগামী একটি গাড়িতে বিজনেস ক্লাসে (ই-৩-৪) দুটি সিটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। প্রতিটির ভাড়া ৯০০ টাকা। এসি বাসের চেয়ে ৩০০ টাকা কম। তাই আর দেরি না করে দ্রুতই টিকেট দুটো বুকিং দিয়ে বিকাশে ১৮০০ টাকা পেমেন্ট করেন একই সঙ্গে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন তিনি।
শুধু কল্যাণপুরই নয়, এমন চিত্র দেখা গেছে গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ কাউন্টারেও। সব জায়গায়ই টিকেট সংকটে ভুগছেন যাত্রীরা। গতকাল ছিল সরকারি অফিসের শেষ দিন, তাই অফিস শেষ করে সবাই ছুটেছেন বাস টার্মিনালে। উদ্দেশ্য একটাই বাড়ি ফেরা। কাউন্টার থেকে কাউন্টারে ঘোরাঘুরি। প্রত্যাশা একটা টিকেটের। প্রায় প্রতিটি কাউন্টারই ছিল যাত্রীতে ঠাসা। তবে বেশিরভাগই ছিল অগ্রিম টিকেট কাটা, যারা শুধু সময়মতো গাড়ি ধরতে এসেছে এবং বাকিরা এসেছে উপস্থিত টিকেট কাটার জন্য। তবে টিকেট না পেয়ে অনেকেই পড়েছেন বিপাকে।
গাবতলী শাকুরা কাউন্টারে কুয়াকাটা যাওয়ার জন্য টিকেট নিতে এসেছেন মো. জসিম।
কাউন্টার মাস্টার সাফ জানালেন চাঁদরাত পর্যন্ত কোনো টিকেট নেই। সব টিকেট বুকিং হয়ে গেছে। এ ছাড়া বরিশালের যাত্রী মো. শফিকও ফিরে গেছেন টিকেট না পেয়ে। একই চিত্র দেখা গেছে গ্রামীণ ট্রাভেলস পরিবহনেও। সেখানেও অনেক যাত্রীকে টিকেটের জন্য ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে।
মো. আলমগীর একজন শ্রমিক বলেন, আমি চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাব। গ্রামীণ ট্রাভেলসে টিকেটের জন্য এসেছিলাম কিন্তু পাইনি। তারা বলছে টিকেট নেই। কিন্তু কালো বাজারে বেশি দামে টিকেট পাওয়া যাচ্ছে। আমাকে মহাখালী থেকে গ্রামীণ ট্রাভেলস থেকে ফোন দিয়ে বলছে টিকেট আছে। হয়তো টাকা বেশি লাগবে। এখানে না পেলে সেখানে যাব।
এদিকে গ্রামীণ ট্রাভেলসের কাউন্টার মাস্টার মো. ফরিদ বলেন, আমাদের সব টিকেট অনলাইনে আগেই বুকিং হয়ে গেছে। এখন টিকেট পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ ছাড়া বড় সমস্যা হলো তেল সংকটের কারণে, শিডিউল দেওয়া গাড়ি ছাড়তে পারছি না। যদি তেলের সাপ্লাই থাকত তা হলে সময়মতো গাড়ি ছাড়া যেত এবং ট্রিপও বাড়ত।
ঈদুল ফিতর যত ঘনিয়ে আসছে রাজধানী ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের স্রোত ততই বাড়ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চিরচেনা সেই ভিড় আর হাঁকডাকে সরগরম হয়ে উঠেছে টার্মিনাল এলাকা। লঞ্চের ডেক এখন কানায় কানায় পূর্ণ, আর কেবিনের টিকেটের জন্য চলছে হাহাকার।
গতকাল সোমবার সরেজমিন দেখা গেছে, সদরঘাটের পন্টুনগুলোতে এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। পটুয়াখালী, বরিশাল ও ভোলাগামী লঞ্চগুলোর ডেকে যাত্রীরা আগেভাগেই চাদর বিছিয়ে জায়গা দখল করে নিয়েছেন। গতকাল বিকালের পর থেকেই যাত্রীদের চাপে পন্টুনগুলো জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
লঞ্চ মালিকরা জানান, গত কয়েক মাসের মন্দা কাটিয়ে এখন তারা প্রাণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করবেন।
এমভি জাহিদ-৩ লঞ্চের সুপারভাইজর আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এখন আর ডেকে জায়গা খালি নেই। মানুষ লঞ্চ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই এসে ভিড় করছে। ডেক তো প্রায় পূর্ণ, এখন মানুষ ছাদে ওঠার জন্য জেদ করছে, যা আমরা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি।
সবচেয়ে বেশি সংকট দেখা দিয়েছে কেবিনের টিকেট নিয়ে। অগ্রিম বুকিং শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন ঘাটে এসে কেবিন না পেয়ে অনেককেই হতাশ হয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে। বর্তমানে একটি সিঙ্গেল কেবিনের ভাড়া ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার এবং ডাবল কেবিনের ভাড়া ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কেবিনের টিকেটের চাপের বিষয়ে মানিক-৫ লঞ্চের স্টাফ সাহাদাত হোসাইন বলেন, ডেকে যাত্রীর চাপ আছে। এ ছাড়া সব কেবিন বুক হয়ে গেছে। আগামী দুদিন কোনো কেবিন ফাঁকা নেই।
ছোট সন্তান নিয়ে পন্টুনে দাঁড়িয়ে থাকা গৃহিণী সুমি আক্তার বলেন, কেবিনের জন্য ডাবল ভাড়া দিতেও রাজি ছিলাম, কিন্তু কোনো লঞ্চেই টিকেট নেই। ঘাটে কুলি আর হকারদের ঠেলাঠেলিতে বাচ্চা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকাই দায়। প্রশাসনের উচিত ছিল কেবিনের টিকেটে কালোবাজারি হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা।
বরিশালগামী যাত্রী বেসরকারি কর্মকর্তা সায়েম আহমেদ বলেন, গত তিন দিন ধরে পরিচিত সব লঞ্চে ফোন দিয়েও একটা ডাবল কেবিন ম্যানেজ করতে পারিনি। বৃদ্ধ মা আর ছোট বাচ্চা নিয়ে ডেকে যাওয়া অসম্ভব। এখন চড়া দামে কালোবাজারে টিকেট পাওয়া যায় কি না সেই চেষ্টা করছি। সময় বাঁচাতে অনেকে পদ্মা সেতু ব্যবহার করলেও নদীপথের আরামদায়ক যাত্রার টানে বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনও লঞ্চকেই বেছে নিচ্ছেন। তবে কুলি আর হকারদের কারণে এবং সদরঘাটের প্রবেশপথে তীব্র যানজট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা।
এ নিয়ে রায়হান নামে এক যাত্রী বলেন, পল্টন থেকে সদরঘাট পর্যন্ত অনেক জ্যাম। এটা নিয়ে কাজ করা উচিত। যানজটের এই ভোগান্তির কারণে অনেকেই সদরঘাট আসে না।
যাত্রীর চাপ সামাল দিতে লঞ্চ মালিক সমিতি এবং বিআইডব্লিউটিএ বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে। অনেক রুটে নিয়মিত লঞ্চের পাশাপাশি বিশেষ সার্ভিস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. মুবারক হোসেন জানান, সদরঘাটে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে লঞ্চে না ওঠার জন্য হ্যান্ড মাইকে প্রচার চালানো হচ্ছে। কেবিনের টিকেট নিয়ে যেন কোনো কালোবাজারি না হয়, সেদিকে আমাদের নজরদারি রয়েছে।
অনলাইনে টিকেট প্রাপ্তিতে কিছুটা জটিলতা থাকলেও ঈদযাত্রায় রেলপথে বড় কোনো ভোগান্তি ছাড়াই হাসিমুখে ঢাকা ছাড়ছে ঘরমুখো মানুষ। ঈদযাত্রার চতুর্থ দিনেও সময়মতো ট্রেন ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে।
সোমবার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড়। তবে স্টেশনে প্রবেশে কড়াকড়ি থাকায় প্রত্যেকের টিকেট যাচাই করে তবেই প্ল্যাটফর্মে ঢুকতে দেওয়া হয়। বিশেষ কারণ ছাড়া টিকেটবিহীন কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি রেল কর্তৃপক্ষ।
যাত্রীরা সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, স্টেশনে তেমন বিশৃঙ্খলা বা অনাকাক্সিক্ষত ভিড় না থাকায় ভোগান্তি ছাড়াই যাত্রা শুরু করতে পারছেন। প্রচুর চাহিদা ও ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত চাপের কারণে অনেক যাত্রীই অনলাইনে টিকেট কাটতে পারেননি। তবে ঈদযাত্রায় শামিল হতে স্টেশন থেকে বিক্রি হচ্ছে স্ট্যান্ডিং টিকেট।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ আধা ঘণ্টা বিলম্বে ছাড়লেও বাকি সব ট্রেন সময়মতো ছেড়ে গেছে। এবার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করায় যাত্রীরা ভোগান্তিহীন একটি ঈদযাত্রা উপভোগ করতে পারবেন।
এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসব শেষে ঘরমুখো মানুষের ফিরতি যাত্রার জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রির চতুর্থ দিনে সোমবার বিক্রি হয়েছে ২৬ মার্চের ট্রেনের আসনের টিকেট। যাত্রীদের সুবিধার্থে শতভাগ টিকেট অনলাইনে বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে বিক্রি শুরু হয়েছে এসব টিকেট। এ সময় পাওয়া গেছে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকেট।
অন্যদিকে দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হয় পূর্বাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকেট। রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৩ মার্চের টিকেট বিক্রি হয়েছে গত ১৩ মার্চ, ২৪ মার্চের টিকেট ১৪ মার্চ ও ২৫ মার্চের টিকেট ১৫ মার্চ। এ ছাড়া ২৭ মার্চের টিকেট ১৭ মার্চ, ২৮ মার্চের টিকেট ১৮ মার্চ এবং ২৯ মার্চের টিকেট ১৯ মার্চ বিক্রি করা হবে।
রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলস্টেশনে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত সংক্ষিপ্ত বিচারে ১৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা এবং অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন ডিএমপির ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলস্টেশনে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০০-এর অধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় এবং দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
অপরদিকে কমলাপুর রেলস্টেশনে অভিযান পরিচালনা করে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে একজনকে তিন মাসের কারাদণ্ড, একজনকে ২০ দিনের কারাদণ্ড, ছয়জনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং ছয়জনকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। অন্যদিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৮টি সিআর মামলা করা হয় এবং ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ঢাকা মহানগরীতে চুরি, ছিনতাই, মাদক, ইভটিজিং ও রাস্তায় অবৈধ দখলের মতো অপরাধসমূহ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিতভাবে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে তাৎক্ষণিক বিচার করা হচ্ছে। ফলে ভুক্তভোগীরা দ্রুত এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে বিচারিক সেবা পাচ্ছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ঈদযাত্রা স্বস্তির করতে হাতিয়া ও ভোলাগামী নতুন তিনটি জাহাজ উদ্বোধন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সোমবার বিকালে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বিআইডব্লিউটিসির নতুন তিনটি জাহাজ উদ্বোধন করেন তিনি। ঢাকা থেকে হাতিয়ার নৌপথে রূপসা ও সুগন্ধা এবং ঢাকা বেতুয়া নৌপথে মধুমতি জাহাজ চলাচল করবে।
এ ছাড়া যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে হুইলচেয়ার ও ট্রলিসেবা ব্যবস্থারও উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। সেবা ব্যবস্থার নামে আর্থিক লেনদেনের খবর পেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী।
মন্ত্রী জানান, ঈদযাত্রা ঘিরে সাত দিনের জন্য ইজারামূল্য মওকুফ করা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘ঈদযাত্রা উপলক্ষে সাত দিনের জন্য ইজারা চার্জ মৌকুফ করে দেওয়া হয়েছে। এই ব্যয় আমরা বহন করব। মালামাল নিয়ে হয়রানির কোনো অভিযোগ পেলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ যেই বিনামূল্যের সেবা (হুইলচেয়ার, ট্রলি) চালু করা হয়েছে, তা অব্যাহত থাকবে। এর জন্য ভবিষ্যতে কেউ টাকা চাইলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ছাড়া, ঈদের মৌসুমকে কেন্দ্র করে পরিবহনে জ্বালানি তেলের সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই বলেও সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি ও হাবিবুর রশিদ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী, এনডিসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সময়ের আলো/আরবিএন