বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটি নিয়োগ দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)।
শনিবার (১৮ জুলাই) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক অ্যাডহক কমিটি নির্বাচন আয়োজন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের লক্ষ্যে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন না করায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮ (জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২৩-সহ)-এর ২১ ধারা এবং ধারা ২(৪) ও ২(৮)-এ বর্ণিত ক্ষমতাবলে পরিষদের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি ভেঙে দেন।
একই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরিষদের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটি নিয়োগ করেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর ১৪(৩) ধারা অনুযায়ী গঠিত নতুন কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে মেজর (অব.) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীকে। সহসভাপতি করা হয়েছে আব্দুস সাত্তার চৌধুরী, ড. রনিন আহমেদ চৌধুরী, গোলাম কে. রুবেল সিদ্দিকী ও আব্দুল্লাহ মানকে। সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান ও মারিয়ম বেগম ইতি এবং কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে মেহেদী হাসানকে।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. মোহাম্মদ মিয়া, সাইয়্যিদুর রহমান রুবন, রুবিনা সুলতানা, শায়রুল কবির খান, আবুল হাসান বেলাল, মো. রফিক, গোলজার হোসেন, তৌফিক আহমেদ, সুমাইয়া জাকিয়া রাহিন, দিলারা বেগম রুবি, এস. এম. শওকত, মো. পলাশ মিয়া, শেখ করিম, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও শাহানা বেগম।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, নতুন অ্যাডহক কমিটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।
এদিকে নতুন অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, তায়কোয়ান্দো দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রাচীন মার্শাল আর্ট এবং দেশটির জাতীয় খেলা। এটি মূলত হাত ও পায়ের সাহায্যে আত্মরক্ষা ও শারীরিক কসরতের জন্য ব্যবহৃত হয়।
তিনি বলেন, ২০০০ সাল থেকে তায়কোয়ান্দো একটি পূর্ণাঙ্গ অলিম্পিক ইভেন্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তায়কোয়ান্দো শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, ‘তায়’ অর্থ পা, ‘কোয়ান’ অর্থ হাত বা মুষ্টি এবং ‘দো’ অর্থ পথ বা শৃঙ্খলা। অর্থাৎ, হাত ও পায়ের ব্যবহারের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক শৃঙ্খলা অর্জন করাই এর মূল লক্ষ্য।
শায়রুল কবির খান বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে, প্রধানমন্ত্রী একজন যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে আমিনুল হককে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামাজিক পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনায় তায়কোয়ান্দোর মতো আত্মরক্ষামূলক ক্রীড়া গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারে। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে সচেতনতা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে তা ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।
সময়ের আলো/এসএকে