এবারেও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুর সদর উপজেলাসহ জেলার ৬টি উপজেলায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একটি অংশ। যেন ঈদের আগেই আরেক ঈদের জামাত হয়ে গেল।
দিনাজপুর শহরের চারু বাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে, চিরিরবন্দর উপজেলার রাবার ড্যাম এলাকায়, কাহারোল উপজেলা সদরের জয়নন্দ গ্রামে, ১৩ মাইল এলাকায়, বোচাগঞ্জে, বিরল উপজেলার বনগাঁ জামে মসজিদে ও বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েকশ’ পরিবারের মানুষ ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুর শহরের চারু বাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন দিনাজপুর শহর ও আশপাশের কয়েকটি এলাকার মানুষ। জামায়াতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুসহ প্রায় ৩০০ জন মুসল্লি অংশ গহণ করেন।
এই জামায়াতে ইমামতি করেন কাহারোল উপজেলার রসুলপুর দারুল হুদা সালাপিয়ার মাদ্রাসার ছাত্র হাফেজ মো. আবু তাহের।
এছাড়াও জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতারা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম, ফতেহজংপুর গ্রামে, কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ গ্রামে, ১৩ মাইলে, বিরল উপজেলার পশ্চিম বনগাঁ জামে মসজিদ ও বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদ্রাসা মাঠে প্রায় ২০/২৫টি গ্রামের কয়েকশ মানুষ আগাম ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন।
দিনাজপুর শহরের চারু বাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে কয়েকজন মুসল্লি জানান, দিনাজপুরে প্রথমে শুধু চিরিরবন্দর উপজেলায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করা হতো। কিন্তু বর্তমানে দিনাজপুর সদর উপজেলাসহ আরও কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আগাম ঈদের নামাজ আদায় করা হয়।
আব্দুল মান্নান নামে একজন মুসল্লি জানান, আমি প্রথমে আগাম ঈদ নামাজ পড়ার বিরোধিতা করেছি। পরে কুরআন ও হাদিস পড়ে যখন জানতে পারলাম যে, এটিই সঠিক তখন থেকে আমি এই নামাজের জামাতে শরিক হয়েছি।
প্রসঙ্গত, দিনাজপুর জেলায় ২০০৭ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছে মুসলমানদের একটি অংশ।
সময়ের আলো/জোই