কুষ্টিয়ায় পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন শত শত বিঘা ফসলি জমি

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

সারাদেশ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের

2026-07-20T17:17:28+00:00
2026-07-20T17:18:30+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
কুষ্টিয়ায় পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন শত শত বিঘা ফসলি জমি
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৭ পিএম  আপডেট: ২০.০৭.২০২৬ ৫:১৮ পিএম
নদী ভাঙনে দিশেহারা মানুষ। ছবি : সময়ের আলো
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় ও কোলদিয়াড় এলাকার কৃষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ভিটেমাটি ও ফসল হারানোর শঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পদ্মাপাড়ের বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে গত ২ সপ্তাহে নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলমান ভাঙনে অর্ধশতাধিক কৃষকের ২৫০ থেকে ৩০০ বিঘা আবাদি জমি, পাটখেত, পশুখাদ্যের ঘাসসহ বিভিন্ন ফসল নদীগর্ভে চলে গেছে।

কোলদিয়াড় গ্রামের কৃষক নেন্টু মিয়া জানান, গত ১৫ দিনে তার প্রায় আট বিঘা পাটখেত নদীতে বিলীন হয়েছে।

একইভাবে মাজদিয়াড় গ্রামের কৃষক ইউসুফ আলী বলেন, তার প্রায় ৫ বিঘা জমি, পাট ও গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে আবাদ করা ঘাস নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে।


এছাড়া ইয়াসিন প্রামাণিক, আমিরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, বাবুল প্রামাণিক ও সাধু ফরাজিসহ ৫০ থেকে ৬০ জন কৃষকের বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, প্রায় এক মাস ধরে নদীভাঙন চললেও পানি উন্নয়ন বোর্ড বা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেননি এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এবারও পদ্মার ভাঙনে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।’

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান দৈনিক সময়ের আলোকে বলেন, ‘বর্তমানে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। তবে, পানি বৃদ্ধির কারণে কিছু এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ভাঙনকবলিত এলাকায় তা ফেলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিবছর নদীভাঙনে হাজার হাজার একর ফসলি জমি ও অসংখ্য পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হলেও স্থায়ী নদীশাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ স্থায়ী সমাধানের জোর দাবি জানিয়েছেন।

সময়ের আলো/মহু



  বিষয়:   কুষ্টিয়া  পদ্মা  ভাঙন  বিলীন  জমি  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: