ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এগিয়ে আসছে পাকিস্তান।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে অনুযায়ী, সম্ভাব্য আলোচনার জন্য পাকিস্তান তাদের রাজধানী ইসলামাবাদকে বৈঠকের স্থান হিসেবে প্রস্তাব করেছে।
তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
বিশ্লেষকরা বলছে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের নাম আসা অস্বাভাবিক নয়। কারণ, একদিকে ইরানের সঙ্গে দেশটির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গেও তাদের ভালো যোগাযোগ ছিল।
উল্লেখ্য, গত বছর পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির ট্রাম্পের আমন্ত্রণে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও অংশ নেন।
এ ছাড়া, ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার জন্য ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছিল পাকিস্তান। এতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ হয়।
এই সম্পর্কের কারণেই বর্তমান সংকটে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
/ইউএমএইচ