নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার নাম মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্ন করার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।
গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ২০০৬ সালের পর যে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছিল, তখন তার নাম মুক্তিযোদ্ধার খাতা থেকে কেটে দেওয়া হয়। সেখান থেকে এখন পর্যন্ত তিনি এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত আছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যে গৌরব, সেটি থেকেও বঞ্চিত। এলাকার সবাই তাকে মুক্তিযোদ্ধা বলে জানে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করে এ সংসদ সদস্য বলেন, তিনি স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন মেজর জলিল সাহেবের নেতৃত্বে নবম সেক্টরে।
এ হারানো গৌরবটা তিনি ফিরে পাবেন কি না। তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সব গচ্ছিত আছে, তিনি দেখাবেন। তার মতো আরও অনেকে নিগৃহীত হয়েছেন, সে বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী তাদের তালিকাভুক্ত করে নেবেন কি না সেই প্রশ্ন করেন।
গাজী নজরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, এ প্রশ্নটিও আগের মতোই। তার ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার কাছে কাগজপত্র যা আছে, সেটি মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে জমা দিলে মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করবে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা জানি, অতীতে আমরা যারাই বিরোধী দল করতাম, তাদেরই হয়রানি করা হতো। সুনাম নষ্ট করা হতো। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। আমি সংসদ সদস্যকে আশ্বস্ত করতে চাই, তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।