সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে ঘিরে আজ শেষ হচ্ছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও, বাস্তব চিত্র বলছে- রাজনৈতিক সমঝোতার কারণে অধিকাংশ আসনের ফলাফল অনেকটাই আগেই নির্ধারিত।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। দিনভর মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার ব্যস্ততা থাকলেও মূল প্রতিযোগিতা সীমিতই থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইসি সচিব আখতার আহমেদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংরক্ষিত ৫০টি আসন ইতোমধ্যেই আনুপাতিক হারে রাজনৈতিক জোটগুলোর মধ্যে বণ্টিত হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৩৬টি আসন। অন্যদিকে জামায়াত ও তাদের মিত্রদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৩টি আসন। বাকি একটি আসন রাখা হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য।
আরও পড়ুন
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বড় রাজনৈতিক দলগুলো আগেই তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছে। ফলে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া এখন মূলত আনুষ্ঠানিকতার পর্যায়েই সীমাবদ্ধ।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত ৪৬৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে অল্প কয়েকজন ইতোমধ্যে জমাও দিয়েছেন, আর শেষ দিনে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আপিল ও নিষ্পত্তির ধাপ শেষ করে ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ৩০ এপ্রিল প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনে সাধারণত প্রতিটি দল তাদের বরাদ্দকৃত আসনের বিপরীতে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রার্থীই দেয়। ফলে একাধিক প্রার্থী না থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে কোথাও একাধিক প্রার্থী থাকলে সংসদ সদস্যদের ভোটেই নির্ধারিত হবে চূড়ান্ত বিজয়ী।
এএডি/