সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ঘিরে আনুষ্ঠানিকতা এগোলেও রাজনৈতিক সমীকরণই এখানে বড় নিয়ামক হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে নিজেদের অংশের আসন নিশ্চিত করতেই মনোনয়নপত্র জমা দিতে নির্বাচন কমিশনে হাজির হয়েছেন জামায়াত জোটের মনোনীত নারী প্রার্থীরা।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভবনে উপস্থিত হয়ে তারা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। জোটের পক্ষ থেকে মোট ১৩ জন নারী প্রার্থী এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মারদিয়া মমতাজ, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা সিদ্দিকা, সাজেদা সামাদ ও সামসুন নাহার। এছাড়া শরিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে মনিরা শারমিন ও মাহমুদা আলম মিতু মনোনয়ন পেয়েছেন।
আরও পড়ুন
জোটের অন্যান্য অংশীদারদের মধ্যে জাগপা ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রতিনিধিরাও প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন। বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে জুলাইয়ের গণআন্দোলনে নিহত এক শিশুর মা রোকেয়া বেগমের মনোনয়ন, যা রাজনৈতিকভাবে একটি প্রতীকী বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল মনোনয়ন জমার শেষ দিন। এরপর ২২ ও ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই, ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রত্যাহার এবং সবশেষে ১২ মে ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য দিন নির্ধারিত রয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রে বড় রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যেই নিজেদের মধ্যে আসন বণ্টনে একমত হওয়ায় প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতা খুব একটা দেখা যাবে না। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এএডি