ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা করেছেন তার বাবা। ওই মামলায় মিমোর বিভাগের শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর বাড্ডার বাসা থেকে মিমোর মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধারের সময় তার বাসা থেকে একটি চিরকুট এবং মোবাইল ফোন থেকে কিছু কথোপকথন পাওয়া গেছে। যেখানে তিনি বিভাগের শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর নাম উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও তার এক সহপাঠীর নাম উল্লেখ করেছেন।
বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাসীরুল আমিন বলেন, শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনায় একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। সেই চিরকুটে কয়েক লাইনের পাশাপাশি এ রকম একটি লাইন ছিল মনে হচ্ছে যে- শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী ও আরেকজন ভালো থাকুক।
পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থীর বাবা মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করে শিক্ষকের সঙ্গে তার মেয়ের কথাবার্তার প্রমাণ পেয়েছেন এবং মধ্যরাতেও তাদের কথা হতো। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা মামলা করেছেন। সেই মামলায় শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা জানান, রাজধানীর বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন মিমো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নিজের বাসায় আত্মহত্যা করেছেন। একটি চিরকুটে তিনি একজন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে গেছেন।
সময়ের আলো/আআ