দেশজুড়ে আগামী কয়েকদিন বজ্রসহ ঝড়বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে চারটি বিভাগে কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত লঘুচাপের বর্ধিতাংশের কারণে দেশের আবহাওয়ায় এই পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে।
এর ফলে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ এবং কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেই সঙ্গে বজ্রপাতসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা থাকবে।
এ সময় দিনের তাপমাত্রা তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যেতে পারে। তবে ১ মে পর্যন্ত বৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকবে, এরপর ধীরে ধীরে কমে তাপমাত্রা আবার বাড়তে শুরু করবে।
আরও পড়ুন
আগামী এক দিনে ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহীসহ প্রায় সব বিভাগেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
পরবর্তী দুই দিনে দেশের প্রায় সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা বেশি।
এই সময়ে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ মে সারাদেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে এবং কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও থাকবে। তবে ধীরে ধীরে আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হতে পারে। ২ মে’র পর কিছু এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমলেও বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের পর বৃষ্টিপাত কমে যাবে এবং তাপমাত্রা আবার বাড়তে শুরু করবে। ফলে দেশের আবহাওয়ায় গরমের প্রভাব ধীরে ধীরে ফিরে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা এ সময় নদী তীরবর্তী ও নিচু এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন, কারণ ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতা ও স্থানীয় বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এএডি/