নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্যের জোগান নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনও উল্লেখ করেছেন তিনি।
শনিবার রাজধানীর ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড (বিএসএসএফ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি ও অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। দেশে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতে গবেষণার গুরুত্ব অপরিসীম।
জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে গবেষণা কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, বিপুল জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণ একটি বড়ো চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মাদক সমস্যা দেশের অন্যতম বড়ো সংকটে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে।
বিএসএসএফ-এর সভাপতি ড. মো. খালেদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মসিউর রহমান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সাবেক সদস্য পরিচালক ড. মো. মনিরুল ইসলাম।
সময়ের আলো/জেডি