ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন। জীবনের এই নতুন অধ্যায়কে সামনে রেখে তিনি দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে আমন্ত্রণ জানাতে শুরু করেছেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) এরই ধারাবাহিকতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তার হাতে বিয়ের আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন সাদিক কায়েম। স্পিকার সাদিক কায়েমকে অভিনন্দন জানান এবং তার দাম্পত্য জীবনের সাফল্য কামনা করে দোয়া করেন।
রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে সাদিক কায়েম এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ব্যক্তিগত আলোচনার পাশাপাশি ডাকসুর বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও কথা হয়েছে।
স্পিকার ডাকসুর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন, ডাকসু আগামী দিনের বাংলাদেশের জন্য একটি রোল মডেলে উন্নীত হবে। তরুণ নেতৃত্বের এই মেলবন্ধনে স্পিকারের ইতিবাচক মনোভাব ও দিকনির্দেশনা সাদিক কায়েমের প্রতি তার স্নেহের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পারিবারিক ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৩ মে সাদিক কায়েমের বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার বিয়ের আকদ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এই ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে ডাকসু নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একই দিনে রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা ও মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের যাবতীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এর আগে ডাকসু ভিপি সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন এবং তাকেও তার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। সাদিক কায়েম রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক বন্ধনকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার বিয়ের সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। জীবনের নতুন এই যাত্রায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন ছাত্ররাজনীতির এই পরিচিত মুখ।
সময়ের আলো/টিএইচ