শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত চিকিৎসকের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু।
হাসপাতালে ডা. নাসিরকে দেখার পর তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসকদের ওপর এ ধরনের বর্বর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেশের স্বাস্থ্যসেবার স্বাভাবিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করে এবং চিকিৎসকদের মাঝে চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন চিকিৎসকের ওপর শারীরিক হামলা শুধু তাৎক্ষণিক ক্ষতিই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে ডা. বিটু চিকিৎসাধীন ডা. নাসিরের সহধর্মিণী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। এ সময় পরিবারের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট দ্রুত ‘স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা রক্ষা আইন’ প্রণয়নের জোর দাবি জানানো হয়। পরে ডা. বিটু আহত চিকিৎসকের চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. আসাদুজ্জামান এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসাররাত সুলতানার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢামেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আশরাফুল আলম, অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ড্যাবের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান নোমান, এসওএসবির সদস্য সচিব ডা. আহমেদ সামি আল হাসান, ডা. মাসুদ রানা, অধ্যাপক ডা. শাদরুল আলম, ডা. রাশেদুল হাসান রিপন, ডা. মাহমুদ আলী বাবু, ডা. মিনার হোসেন, ডা. সামিউর রহমান সামী, ডা. মেহরাব হোসেন, ডা. জামশেদ তুষার, ডা. জাহিদ হাসান, ডা. রুম্মান খান, ডা. মামুন, ডা. হাফিজুর রহমান, ডা. রাজিব হাসান, ডা. হারুন অর রশীদ, ডা. আশীক ও ডা. রাহাতসহ অন্যান্য চিকিৎসক ও নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ১৫ মে রাতে রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হামলায় গুরুতর আহত হন ডা. নাসির। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রয়েছেন।
/কহু