বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, পর্যটন খাত হবে কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি।
রোববার রাতে বনানীর একটি হোটেলে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত ‘টোয়াব ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড ২০২৬; অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার পর্যটনকে শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত হিসেবেই নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবেও বিবেচনা করছে।
এ লক্ষ্যে দেশের ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে উন্নয়ন ও প্রচারের জন্য একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ইকো-ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, ধর্মীয় পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে নীতিগত সংস্কারের জন্য টোয়াবের পক্ষ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে। বর্তমানে পর্যটন খাতের জিডিপিতে অবদান প্রায় ৩ শতাংশ হলেও অদূর ভবিষ্যতে তা ৮–৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
এ ছাড়া পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ‘TITA 2026’-এ পর্যটন খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়।
/এসএকে