রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান ভ্যাটিকান সিটির সেক্রেটারিয়েট অব স্টেটের অ্যাপোস্টলিক প্যালেসে আয়োজিত এক গাম্ভীর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে পোপ লিও চতুর্দশের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন। অনুষ্ঠানটি হলি সি কর্তৃক যথাযথ রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক প্রটোকল অনুসরণ করে অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (২৩ মে) জেনেভায় বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।
পরিচয়পত্র পেশ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত সোবহানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইকোনমিক মিনিস্টার এম. জহিরুল কাইয়ুম এবং মিশনের কাউন্সেলর সবুজ আহমেদ। পরিচয়পত্র পেশের পর পোপ লিও চতুর্দশ এবং রাষ্ট্রদূত ও তার প্রতিনিধিদলের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
পরিচয়পত্র পেশ করার পূর্বে রাষ্ট্রদূত সোবহান সেক্রেটারি অব স্টেট কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিন, সাবস্টিটিউট অব দ্য সেক্রেটারিয়েট অব স্টেট আর্চবিশপ পাওলো রুদেল্লি, সেক্রেটারি ফর রিলেশনস উইথ স্টেটস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনস আর্চবিশপ পল রিচার্ড গ্যালাঘার এবং হলি সি-এর রাষ্ট্রাচার প্রধান জাভিয়ের ফার্নান্দেজ-এর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকসমূহে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও হলি সি-এর মধ্যকার সম্পর্কের প্রতি বাংলাদেশের গভীর গুরুত্বারোপের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি ২০১৭ সালে পোপ ফ্রান্সিস এবং ১৯৮৬ সালে পোপ জন পল দ্বিতীয়ের বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করেন এবং উভয় সফরকে বাংলাদেশ ও হলি সি-এর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।
রাষ্ট্রদূত সোবহান সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবিচল অঙ্গীকারের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বৈশ্বিক শান্তি, জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও মানবিক কার্যক্রমে, বিশেষ করে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রতি হলি সি -এর অব্যাহত সমর্থনের প্রশংসা করেন এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি, ন্যায়বিচার, অভিবাসী ও অসহায় জনগোষ্ঠীর প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিতকরণে তাঁদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
/কেএইচও