পবিত্র ঈদুল আজহায় সরকার গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা বাড়ালেও রাজধানীর বাজারে সেই প্রভাব দেখা যায়নি। বরং গত বছরের তুলনায় প্রতি পিস গরুর চামড়ায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কম দাম পাচ্ছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে ছাগলের চামড়া কেনায়ও আগ্রহ দেখাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের দিন রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানমন্ডি ও সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের কাঁচা গরুর চামড়া ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মাঝারি আকারের চামড়া ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকা এবং বড় আকারের চামড়া ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ গত বছর একই ধরনের চামড়া ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। অন্যদিকে ছাগলের চামড়া বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫ থেকে ১০ টাকায়।
এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করে। সে হিসাবে ছোট আকারের একটি লবণযুক্ত চামড়ার দাম ১ হাজার টাকার কাছাকাছি হওয়ার কথা। তবে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বলছেন, ট্যানারিমালিকেরা আগেই কম দামের ইঙ্গিত দেওয়ায় বাজারে তার প্রভাব পড়েছে।
আট বছর ধরে চামড়ার ব্যবসা করা ফারুক হোসেন জানান, গত বছর যে চামড়া ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি করেছেন, এবার সেই চামড়ার দাম ৬৫০ টাকার বেশি বলছেন না ক্রেতারা। অন্যদিকে ফরিয়া মো. শাহজাহান বলেন, ট্যানারিগুলো উৎপাদন খরচ বেড়েছে উল্লেখ করে কম দামে চামড়া কিনছে।
তবে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাখাওয়াত উল্লাহ দাবি করেছেন, এ বছর চামড়ার দাম কমেনি, বরং কিছু ক্ষেত্রে গত বছরের তুলনায় ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে।
/এসএকে